কাশ্মীরে বোমা হামলায় বিশেষায়িত বাহিনীর ৪০ সদস্য নিহত

  • ১৫-ফেব্রুয়ারী-২০১৯ ১২:০৬ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতর সংখ্যা বেড়ে ৪০ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতরা সবাই দেশটির বিশেষায়িত বাহিনী সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (সিআরপিএফ) সদস্য। হামালায় অন্তত ৪০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ইম্প্রোভাইসড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইডি) বোঝাই একটি গাড়ি সিআরপিএফ -এর নিরাপদ এলাকার মধ্যে ঢুকে বিস্ফোরণ ঘটায়।

দেশটির স্বরাষ্ট্র দফতরের বরাত দিয়ে আনন্দ বাজার পত্রিকা জানিয়েছে, ওই গাড়িতে অন্তত ৩৫০ কেজি বিস্ফোরক ছিল। বিস্ফোরণে আহত সেনাদের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের শ্রীনগরে সেনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ বলছে, জৈশ-ই-মহম্মদ এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। হামলাকারী আদিল পুলওয়ামারই বাসিন্দা বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে।

সিআরপিএফের অপারেশন আইজি জুলফিকার হাসান বলেন, জম্মু থেকে শ্রীনগর যাওয়ার পথে ৭০টি যানবহন ছিল। এর মধ্যে একটিতে হামলা করা হয়। সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় কাশ্মীর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন পুলওয়ামা জেলার শ্রীনগর-অনন্তনাগ হাইওয়ের উপর দিয়ে জম্মু থেকে শ্রীনগর এগোচ্ছিল সিআরপিএফ-এর ৫০টি গাড়ির কনভয়। পথে গোরিপোরার কাছে আইইডি বোঝাই এসইউভি নিয়ে জওয়ানদের বাসে ধাক্কা মারে জঙ্গিরা। সঙ্গে সঙ্গে তীব্র বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের পর নিরাপত্তাবাহিনীকে লক্ষ্য করে জঙ্গিরা গুলিও চালায় বলে দাবি পুলিশের। আত্মঘাতী বিস্ফোরণের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না উপত্যকার পুলিশ প্রধান দিলবাগ সিংহ।

যে শ্রীনগর-অনন্তনাগ হাইওয়ে-তে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে সেটি সর্বদা কড়া নিরাপত্তায় মোড়া থাকে। এ দিন বিস্ফোরণের সময়ও রাস্তায় টহল দিচ্ছিল সিআরপিএফ, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এবং সেনার একটি বাহিনী। তাদের নজর এড়িয়ে কীভাবে বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি নিয়ে এই ঘটনা ঘটাল জঙ্গিরা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গোটা এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে।

এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Ads
Ads