ক্রিসেন্ট ঋণ কেলেংকারি: জাজের আজিজসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • ১০-ফেব্রুয়ারী-২০১৯ ০৯:৩৩ pm
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

জনতা ব্যাংকের এক হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় ক্রিসেন্ট গ্রুপ ও জনতা ব্যাংকের ২২ জনের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রাজধানীর চকবাজার থানায় এ মামলাগুলো করে দুদক। 

রবিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুদকের সহকারী পরিচালক মো. গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে ।

ক্রিসেন্ট গ্রুপের আসামিরা হলেন- ক্রিসেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ কাদের, রূপালী কম্পোজিট লেদার লিমিটেডের পরিচালক সামিয়া কাদের নদী, ক্রিসেন্ট লেদার প্রোডাক্ট লিমিটেডের পরিচালক সুলতানা বেগম, পরিচালক রেজিয়া বেগম, রিমেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের ও চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আজিজ ও ব্যবস্থপনা পরিচালক লিটুন জাহান মীরা ও মেসার্স লেক্সকো লিমিটেড পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ।

ক্রিসেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ কাদের বর্তমানে অর্থ পাচারের মামলায় কারাগারে রয়েছেন। তার ছোট ভাই মো. আব্দুল আজিজ দেশের শীর্ষ চলচ্চিত্র প্রযোজনা ও পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার চেয়ারম্যান। 

অন্যদিকে, জনতা ব্যাংকের আসামিরা হলেন- সিনিয়র অফিসার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. মনিরুজ্জামান, মো. সাইদুজ্জামান, প্রিন্সিপাল অফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমীন, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. মাগরেব আলী, মো. খায়রুল আমিন, বাহারুল আলম, এজিএম মো. আতাউর রহমান সরকার, এস এম শরীফুল ইসলাম, ডিজিএম (বর্তমানে সোনালী ব্যাংকের ডিএমডি) মো. রেজাউল করিম, ডিজিএম মুহাম্মদ ইকবাল, একেএম আসাদুজ্জামান, কাজী রইস উদ্দিন আহমেদ, ডিএমডি মো. জাকির হোসেন ও ডিমডি ফখরুল আলম।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে ক্রিসেন্টের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে দুদক। দুদকের এ অনুসন্ধানকারী দলে ছিলেন দুদক কর্মকর্তা মো. গুলশান আনোয়ার, সহকারী পরিচালক-টিম লিডার মো. নিয়ামুল আহসান গাজী। তদারককারী কর্মকর্তা হিসেবে ছিলেন দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন।

দুদক সূত্রে জানা যায়, জনতা ব্যাংক থেকে নেয়া মোট ঋণের মধ্যে ক্রিসেন্ট লেদার প্রডাক্ট লিমিটেডের ৫০০ কোটি ৬৯ লাখ ৪৪ হাজার ৮৯৯, ক্রিসেন্ট ট্যানারিজ লিমিটেডর ৬৮ লাখ ৩৪ হাজার ৯৫ হাজার ১২০, লেক্সকো লিমিটেডের ৭৪ কোটি ৩৮ লাখ ৯৫ হাজার ৩৫৯, রূপালী কম্পোজিট লেদার লিমিটেডের ৪৫৪ কোটি ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৩৮৪ ও রিমেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের ৬৪৮ কোটি ১২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪৭ টাকা। ভুয়া রেকর্ডপত্রের ভিত্তিতে এফডিবিপি ও প্যাকিং ক্রেডিটের জন্য ক্রিসেন্ট গ্রুপের ওই প্রতিষ্ঠানসমূহ জনতা ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখা থেকে এ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে।

Ads
Ads