প্রকাশ্যে বিবাদে জড়ালেন মির্জা ফখরুল

  • ২৪-জানুয়ারী-২০১৯ ০১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের সঙ্গে জনসম্মুখে তর্কবিতর্কে জড়িয়েছেন বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম। বিএনপির মহাসচিব কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সাইফুল ইসলামের জ্যাকেটের কলার ধরেন।

বুধবার দুপুর ১টায় বগুড়া শহরতলী ঠেঙ্গামারায় অবস্থিত পাঁচতারতা হোটেল মম ইন এর লিফটে এই ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে বিএনপির মহাসচিবের বক্তব্য পাওয়া না গেলেও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন বলেন, আসলে ঘটনাটি যেভাবে ফলাও করে মিডিয়ায় এসেছে বিষয়টি সেরকম বড় কোনো ঘটনা নয়। দুজনের মধ্যে কিছু তর্কবিতর্ক হয়েছে। কিন্তু বিএনপি মহাসচিব জেলা বিএনপি সভাপতি কলার ধরেননি। ছবি এমনভাবে তোলা হয়েছে যাতে মনে হচ্ছে তিনি কলার ধরেছেন।

জেলা বিএনপি একটি সূত্র জানায়, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও থেকে সড়ক পথে ঢাকায় যাবেন। সেজন্য তিনি বগুড়ায় যাত্রাবিরতি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন বগুড়ার নেতাদের কাছে। সেই সঙ্গে নির্বাচনের পরে বগুড়ায় তার আসা না হওয়ায় ইচ্ছা পোষণ করেন নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করার। সেই ভাবে ব্যবস্থা নিতে বলেন বগুড়ার নেতাদের। বিষয়টি নিয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতাদের আলোচনা হয়।

দলের একটি ঘনিষ্ট সুত্র জানায়, এই মতবিনিময় জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মো. শোকরানার চার তারকা হোটেল নাজ গার্ডেনে করার কথা। কিন্তু সেখানে বিভিন্ন সমস্যার কারণে পরে তা পর্যটন মোটেলে করার কথা থাকলেও সেখানে হয়নি। পরে পাঁচতারকা হোটেল মম ইন এ করা হয়। বুধবার দুপুর ১২টায় এই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত হন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

দলীয় নেতাকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সুত্রে জানা গেছে, দুপুর একটায় সভা শেষে মহাসচিবকে নিয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম, খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা বগুড়া পৌর মেয়র অ্যাড. একেএম মাহবুবর রহমান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চানঁসহ কয়েকজন নেতা হোটেলের ৭তলা থেকে লিফটে নিচে নামছিলেন।

এ সময় স্থানীয় নেতাদের জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, এখানে মিটিং হবে তা আমাকে আগে বলা হয়নি কেন? এই নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে মহাসচিব সাইফুলকে বলেন, এখানে প্রেসের লোকজন আছে, তোমরা এমন করছো কেন। এমন সময় বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে মহাসচিব সাইফুলের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। অন্য নেতারা তখন বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

Ads
Ads