বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ইলিশ শিকার

  • ৬-Oct-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

শনিবার (০৬ অক্টোবর) রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ২২ দিনের জন্য বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ইলিশ শিকার- যা কার্যকর থাকবে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত।

মা ইলিশ রক্ষায় সরকার উপকূলের ১১ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মৎস্য অধিদফতর বরিশাল বিভাগ জানায়, মা ইলিশের প্রজনন নিরাপদ করতে আশ্বিনের ভরা পূর্ণিমা লক্ষ্য রেখে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।

এ সময় মাছ শিকার, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ ও বিক্রি নিষিদ্ধ থাকছে। এ আইন আমান্য করলে জেল অথবা জরিমানা এমনকি উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

জেলেদের সচেতন করার জন্য নদী এবং উপকূলবর্তী এলাকায় মাইকিং ও পোস্টারিংসহ সকল ধরনের প্রচারণা অব্যাহত রেখেছে জেলা প্রশাসন ও জেলা মৎস্য বিভাগ। 

সচিবালয়ে নিজ দফতরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ সাংবাদিককে জানান, দুই দফায় বর্তমান সরকারের ৯ বছরে ইলিশের উৎপাদন ৬৬ শতাংশ বেড়েছে। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ইলিশের উৎপাদন ছিলো ২ লাখ ৯৮ হাজার মেট্রিক টন, যা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে প্রায় ৫ লাখ মেট্রিক টন। যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকা।

মন্ত্রী জানান, প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৩১ শতাংশ মানুষ মৎস্যখাতে জড়িত এবং ১১ শতাংশের বেশি লোক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এর ওপর নির্ভরশীল।

বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত মাছের প্রায় ১২ শতাংশ আসে শুধু ইলিশ থেকে। দেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান এক শতাংশের বেশি। কাজেই একক প্রজাতি হিসেবে ইলিশের অবদান সর্বোচ্চ। দেশ আজ মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ বলেও দাবি করেন তিনি।

নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, বিশ্বে ইলিশের উৎপাদনে বাংলাদেশ একাই ৭০-৭৫ ভাগ উৎপাদন করে। গত ৯ বছরে সার্বিক মাছের উৎপাদনও ২৭ লাখ ১ হাজার মেট্রিক টন থেকে বেড়ে ৪১ লাখ ৩৪ হাজার মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে। এটি ২০১৬-১৭ সালের উৎপাদন-লক্ষ্যমাত্রা ৪০ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টনের চেয়ে ৮৪ হাজার মেট্রিক টন বেশি। তাই ২০১৭-১৮ সালে ইলিশের উৎপাদন যেমন ৫ লাখ টন ছাড়িয়ে যাবে তেমনই মাছে উৎপাদনও বৃদ্ধি পেয়ে ৪২ লাখ ৭৭ হাজার মেট্রিক টন হবে বলে আশা করছেন তিনি।

 

/কে 

Ads
Ads