পাকিস্তানকে ২৪০ রানের টার্গেট দিল টাইগাররা

  • ২৬-Sep-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: স্পোর্টস ডেস্ক ::

এশিয়া কাপ ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সাবেক চ্যাম্পিয়নদের ২৪০ রানের টার্গেট দিয়েছে বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিম এবং মোহাম্মদ মিঠুনের বাড়তি দায়িত্বশীলতায় ২৩৯ রান তুলতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। ১২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে প্রাথমিক বিপর্যয়ে পড়ে যাওয়া বাংলাদেশ দলেকে খেলায় ফেরান মুশফিক-মিঠুন। তাদের কল্যাণে আড়াইশোর কাছা কাছি রান করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। ৬০ রান করেন মিঠুন।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৯৯ রান করেন মুশফিক। বাংলাদেশকে উদ্ধার করলেও আক্ষেপ থেকে গেল মুশফিকুর রহিমের। মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি হলো না তার। সপ্তম সেঞ্চুরি থেকে হাতছোঁয়া দূরত্বে বিদায় নিলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে লড়াই করার মতো স্কোর এনে দিয়েছেন তিনি।

পেনিং জুটিতে আজ নাজমুল হোসেন শান্তর পরিবর্তে সুযোগ পান সৌম্য সরকার। সৌম্য সুযোগ পেলেও আজকের ম্যাচেও ব্যর্থ হন সৌম্য। অপ্রয়োজনীয় এক শট খেলতে যেয়ে ক্যাচ আউট হন তিনি। সৌম্য ৫ বল খেলে একটি রানও সংগ্রহ করতে পারেননি।

সৌম্য আউট হলে ক্রিজে নামেন মমিনুল হক। কিন্তু ব্যক্তিগত ৫ রান করে শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়ে ফেরত যান টেস্ট স্পেশালিষ্ট তকমা পাওয়া মমিনুল। ১২ রানে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। 

দুই ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে বাংলাদেশ চাপে পড়ে। সেই চাপকে পুঁজি করে পাকিস্তান লিটনকেও তুলে নেয়। এশিয়া কাপের অন্য ম্যাচগুলোর মতোই ব্যর্থ হন লিটন দাস। ১৬ বলে ৬ রান করে জুনায়েদের বলে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরত যান।

দ্রুত তিন উইকেট হারানো বাংলাদেশের ইনিংস মেরামতের কাজে লেগে পড়েন মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ মিথুন। ওভার প্রতি ৪ রান নিয়ে বাংলাদেশ ২৪ ওভারে ১০০ রান করে। ১০০ রানের মধ্যে মুশফিক ও মিথুনের জুটির অবদান ৮৮ রান।

মুশফিকের দেখাদেখি মিথুনও অর্ধশতক পূরণ করেন। হাসান আলিকে চার মেরেই নিজের অর্ধশতক পূরণ করেন তিনি। গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মিথুন-মুশফিকের ১৩১ রানের জুটি বাংলাদেশকে জয় এনে দিয়েছিল।  

শেষ পর্যন্ত মুশফিক-মিথুনের দুর্দান্ত ১৪৪ রানের জুটি ভাঙেন হাসান আলি। আলিকে উড়িয়ে মারতে যেয়ে বল ব্যাটে লেগে ওপরে উঠে যায়। নিজেই ক্যাচটি নিয়ে জুটিটি ভাঙেন আলি।

মুশফিক-মিথুনের জুটি ভাঙলে ক্রিজে নামেন গত ম্যাচে দুর্দান্ত খেলা ইমরুল কায়েস। কিন্তু আজ মাত্র ১০ বলে ৯ রান করে দলীয় ১৬৭ রানে সাদাব খানের বলে এলবি’র ফাঁদে পড়েন ইমরুল।

ইমরুল-মিথুন দ্রুত আউট হয়ে ফিরে গেলেও মুশফিক বাংলাদেশের রানের চাকা সচল রাখেন। কিন্তু মুশফিকের দুর্ভাগ্য। নার্ভাস নাইনটিজে গিয়ে আউট হন তিনি। ব্যক্তিগত ৯৯ রানে শাহিন আফ্রিদির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন তিনি।

দলীয় ২২১ রানে মেহেদী মিরাজ ব্যক্তিগত ১২ রান করে ফেরত যান। মিরাজের পর ক্রিজে নামেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

মিরাজ আউট হলেও অন্যপাশে রিয়াদ দ্রুত রান তুলতে থাকেন। রিয়াদকে সঙ্গ দিতে থাকেন অধিনায়ক মাশরাফি। দলীয় ২২৭ রানে ব্যক্তিগত ২৫ রান করে রিয়াদও ফিরে যান।

১২ রান যোগ করতে না করতেও ব্যাটসম্যান রুবেল হোসেনও আউট হয়ে ফিরে যান। শেষের দিকে মাশরাফির ১৩ রানের ওপর ভর করে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ২৩৯ রানে।

পাকিস্তানের পক্ষে জুনায়েদ খান ৯ ওভারে ১৯ রানে ৪ উইকেট দখল করেন। এছাড়া দুইটি করে উইকেট পেয়েছেন শাহিন আফ্রিদি ও হাসান আলি। একটি উইকেট পান সাদাব খান।

/কে 

Ads
Ads