হাওয়া ভবনে বসেই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ষড়যন্ত্র করে তারেক রহমান

  • ২০-Aug-২০১৮ ০১:০০ অপরাহ্ন
Ads

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় তৎকালীন আওয়ামী মহিলা লীগের সভানেত্রী আইভি রহমানসহ ২২ জন নিহত এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন৷
২১ আগস্টের এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিলো বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করা। আর এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের মূল ষড়যন্ত্রকারী ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

২০০৪ সালের ১৪ই আগস্ট তারেক রহমান এ বিষয়ে সর্ব প্রথম হাওয়া ভবনে বৈঠক বসেন। বৈঠকে তারেক রহমানের সঙ্গে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, বঙ্গবন্ধুর খুনি মেজর নূর, জামায়াতে ইসলামের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান মুজাহিদ, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উপদেষ্টা হারিছ চৌধুরী, বিএনপি সরকারের উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, হরকাতুল জিহাদের নেতা মুফতি হান্নান ও তাজউদ্দীন।

এই বিষয়ে সে সময়কার কিছু বিপদগামী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সাহায্য করবে বলে নিশ্চয়তা দেন তারেক রহমান। অতঃপর ১৮ আগস্ট আবদুস সালাম পিন্টুর বাসায় বৈঠকে বসেন পিন্টু ও তার ভাই তাজউদ্দীন, খালেদা জিয়ার ভাগ্নে ডিউক। এসময় হরকাতুল জিহাদের কাছে ১২টি আর্জেস গ্রেনেড হস্তান্তর করে বাবর।

এরপর ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে দলীয় কার্যালয়ের সামনে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী জনসভায় হরকাতুল জিহাদ গ্রেনেড হামলা ঘটায়। মুহুর্তেই আওয়ামী লীগের ২৬ জন নেতা-কর্মী নিহত হন। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে পুলিশের সহায়তায় পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।

হামলার মুল হোতা তাজউদ্দীনকে গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় পাকিস্তান পাঠিয়ে দেয় তারেক রহমান ও খালেদা জিয়ার ভাগ্নে ডিউক। এভাবেই ষড়যন্ত্র করেছিলেন তারেক রহমান।

Ads
Ads