গয়েশ্বরকে দেখতে গেলেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী নসরুল হামিদ

  • ২৫-Dec-২০১৮ ১২:০০ pm
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

ঢাকা-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে দেখতে গেছেন একই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।  

বুধবার (২৬ ডিসেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে আহত গয়েশ্বরকে দেখতে তার নয়াপল্টনের অফিসে যান তিনি। এসময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেও উত্তরও দেন বিপু।

নসরুল হামিদ বিপু বলেন, মঙ্গলবারের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় আমরা লজ্জিত। হানাহানি করে রাজনীতি হয় না। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদেরকে খুঁজে বের করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে বলা হয়েছে। পুলিশ এরইমধ্যে তিনজনকে আটক করেছে।  আগামী ৩০ তারিখ শান্তিপূর্ণ ভোট হবে। একসাথে ভোট চাইবো আবারও।

তিনি আরও বলেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের সঙ্গে রাজনীতির বাইরেও আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক বহুদিনের। রাজনীতিতে উনি আমার অনেক সিনিয়র, তিনি আমার গুরুজন। আমরা পাস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে গত ১০ বছর ধরে কেরানীগঞ্জের সন্ত্রাসের রাজত্ব দূর করেছি। অতীতে হাতে হাত মিলিয়ে ভোট চেয়েছি।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়ার চৌরাস্তায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের ওপর হামলা হয়। এ ঘটনায় ২০ থেকে ২৫ জন আহত হন। পরে রাত ৮টার দিকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে গুলশান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেন তিনি। এ সময় রক্তাক্ত পাঞ্জাবি গায়ে জড়িয়েই বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।

গয়েশ্বর বলেন, “আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনার নূরুল হুদা সাহেবকে বলছি, আপনি এই ঘটনা তদন্ত করুন। তদন্ত করেন কে দোষী? আপনার এই ধরনের লাগামহীন অর্থাৎ দায়িত্ব পালন না করে সরকারকে সন্তুষ্ট করার যে আপনার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সেই কারণেই ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মী ও পুলিশের লোকেরা এতো দুঃসাহস দেখাচ্ছে। তা না হলে তারা এটা দেখাতে পারত না।”

“আমি একটা জিনিস বুঝি। একাত্তর সালের যুদ্ধে বেঁচে গেছি। ৪৭ বছর বেঁচে আছি। ৩০ তারিখের নির্বাচনকে আমি মনে করি, গণতন্ত্রের যুদ্ধ। রক্ত যখন গেছে প্রয়োজনে আরো রক্ত দেব-এই যুদ্ধে আমরা জয়লাভ করব, দেশনেত্রীকে মুক্ত করব।”

/ই

Ads