যে কারণে জাতীয় পার্টিকে ধন্যবাদ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  • ৫-Nov-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

জাতীয় পার্টি দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে বলে জানিয়ে জাতীয় পার্টিকে ধন্যবাদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত জাতীয় জোটের সঙ্গে বৈঠকের শুরুতে এ কথা বলে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই অর্থবহ নিবাচন হবে। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।’ তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি প্রদেশকে লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে একটি স্বাধীন দেশে পরিণত করেছেন। স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশকে তিনি স্বল্পোন্নত দেশের মর্যাদা এনে দিয়ে গেছেন। আজ আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জিত হয়েছে। দেশের এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে জাতীয় পার্টি। এজন্য সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টিকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী নির্বাচনে নাগরিকরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। এটা তাদের অধিকার।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগই এদেশের মানুষের ভাত ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম করেছে। তিনি বলেন, রাজনীতিবিদদের দায়িত্ব দেশের উনয়ন করা এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করা। পরপর দুই মেয়াদে ক্ষমতায় থেকে আওয়ামী লীগ মানুষের প্রতি সেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে এই সংলাপে ১৪ দলীয় জোটের ২৩ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পাঁচটি দলের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এরশাদ।

সংলাপের শুরুতে এরশাদ ও রওশন এরশাদ প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এর আগে সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটের দিকে সংলাপ শুরু হয়। এর আগে সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে এরশাদের বনানীর রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সংলাপের উদ্দেশে রওনা হন। সাড়ে ছয়টার দিকে তারা গণভবনে প্রবেশ করেন।

এরশাদের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার হোসেন জালালী জানিয়েছেন, সংলাপ শেষে রাতে জাপার চেয়ারম্যানের বনানী অফিসে সংলাপ বিষয়ে ব্রিফ করবেন দলের শীর্ষ নেতারা।

সংলাপে সম্মিলিত জাতীয় জোটের প্রতিনিধি দলের ৩৩ জনের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব এবিএম রুহুল আমীন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, এমএ ছাত্তার, কাজী ফিরোজ রশীদ, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, অধ্যাপক দেলোয়ার হোসন খান, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সাহিদুর রহমান, শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, ফখরুল ইমাম, মজিবুল হক চুন্নু, সালমা ইসলাম, সুনীল শুভরায়, এসএম ফয়সল চিশতী, মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী।

এ ছাড়া রয়েছেন মসিউর রহমান রাঙা, আজম খান, সোলায়মান আলম শেঠ, আতিকুর রহমান আতিক, মেজর (অব.) খালেদ আক্তার, সফিকুল ইসলাম সেন্টু, শামীম হায়দার পাটোয়ারী।

জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকা, নুরুল ইসলাম ওমর, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মাওলানা এমএ মান্নান, মহাসচিব এমএ মতিন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাহফুজুল হক, যুগ্ম মহাসচিব জালাল আহমেদ, জাতীয় ইসলামী মহাজোটের চেয়ারম্যান আবু নাসের ওয়াহেদ ফারুক, বিএনএর চেয়ারম্যান সেকেন্দার আলী মনিও রয়েছেন।

/ই

Ads
Ads