এই ঈদেও খালেদার সাক্ষাৎ পেলেন না বিএনপি নেতারা

  • ২২-Aug-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের কারাগারের ফটকের সামনেই যেতে পারেননি দলটির সিনিয়র নেতারা।

বুধবার (২২ আগস্ট) জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারতের পর দুপুর ১২টার দিকে বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে সিনিয়র নেতারা পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে ফটকের দিকে যান। এ সময় পুলিশ নাজিমউদ্দিন রোডে তাঁদের আটকে দেয়।

পুলিশ কর্মকর্তার কাছে মহাসচিব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রালয়ে পাঠানো চিঠি দেখান। কিন্তু পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, তাদের কাছে কারো সাক্ষাতের বিষয় জানা নেই।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পুলিশ কর্মকর্তাকে বলেন, জেল কোডে বলা আছে যে, ঈদের দিনে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতদের কেউ দেখা করতে চাইলে দেখা করতে দেওয়া হয়। আমরা ১৩ আগস্ট অনুমতি চেয়ে চিঠি দিয়েছিলাম। আজ দেখা করতে না দেওয়া দুর্ভাগ্যজনক। আপনারা আজ ঈদের দিনে আমাদের নেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে দিলেন না সেটা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি, প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, দেশে আইনের শাসন নেই। দেশে একদলীয় শাসন চলছে।

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আমাদের আজ এখানে আটকিয়ে রাখা হলো। আমাদের যদি জেল গেটে যেতে দেওয়া হতো কারা কর্তৃপক্ষ বলতে পারতো আমরা অনুমতি পাবো কি পাবো না। এখানে পুলিশ কর্তৃপক্ষ আমাদের রাস্তায় আটকিয়ে দিলেন- এটা দুর্ভাগ্যজনক।

মির্জা আব্বাস বলেন, ঈদের দিন আমাদের দেখা করতে না দিয়ে অবিচার করা হলো।

কারাগারের সামনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, নির্বাহী সদস্য তাবিথ আউয়াল, বিএনপি নেত্রী বিলকিস জাহান শিরিন, শিরিন সুলতানা, শাহরিন ইসলাম শায়লা, খায়রুন্নাহার, শায়রুল কবির খান, শামসুদ্দিন দিদারসহ  দুই শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। কর্মীরা এ সময়ে খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে স্লোগান দেয়।

এরআগে গত জুন মাসে ঈদুল ফিতরের দিনও বিএনপি মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির নেতারা দলের প্রধান খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ চেয়ে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু কারা কর্তৃপক্ষ খালেদা জিয়ার আত্মীয়-স্বজন ছাড়া কাউকে অনুমতি দেয়নি।

প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিশেষ আদালত। এরপর থেকে পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন তিনি।

/ই

Ads
Ads