আমি কি আইনের উর্ধ্বে : প্রধানমন্ত্রী পুত্র জয়

  • ১২-Aug-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

আমি কি আইনের উর্ধ্বে : প্রধানমন্ত্রী পুত্র জয় নিজস্ব প্রতিবেদক প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলছেন, ‘আমার কোনো সন্দেহ নেই আজ যেই সুশীল সমাজ, বিদেশী বন্ধুরা ও সাংবাদিকরা শহিদুল আলমের পক্ষে কথা বলছেন, তারা তখন ঠিকই বলতেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সহিংসতা উস্কে দিয়েছেন। শুধুমাত্র সফল ও জনপ্রিয় হওয়ার জন্যই কি আজ শহিদুল আলমকে আইনের উর্ধে রাখার কথা বলা হচ্ছে? তাহলে কি আমি সহ সকল সফল ও জনপ্রিয় মানুষই আইনের উর্ধ্বে।’

আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে সজীব ওয়াজেদ জয় তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস প্রদান করে এসব কথা বলেন।

সজীব ওয়াজেদ জয় ফেসবুক স্ট্যাটাসে আরও বলেন, ‘ধরুণ বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় ও সফল ব্যক্তি হিসেবে আন্দোলনের সময় আমি ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বলতাম আন্দোলনরত তরুণরা আমাদের কর্মীদের একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে আক্রমণ করে হত্যা করেছে এবং সেই কথার প্রেক্ষিতেই আমাদের কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে সেই বিশ্ববিদ্যালয়টি আক্রমণ করতো। তাহলে কি বলা যেত আমি সহিংসতা উস্কে দিয়েছি? নাকি আমি বাকস্বাধীনতার অধিকার দ্বারা সুরক্ষিত থাকতাম?’

একই স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘আমি যেই উদাহরণ দিয়েছি, শহিদুল আলম ঠিক তাই করেছেন। তার দেয়া মিথ্যে পোস্ট ও অভিযোগের কারণেই শিক্ষার্থীরা উত্তেজিত হয়ে পরে এবং পুলিশের উপর ও পার্টি অফিসে হামলা চালায়। একাধিক পুলিশ সদস্য ও আমাদের কর্মীরা আহত হন। আরাফাতুল ইসলাম বাপ্পি নামের আমাদের এক কর্মী তার দৃষ্টিশক্তি চিরতরে হারিয়েছেন।

বাপ্পি কি ন্যায়বিচার পাওয়ার যোগ্য না?’ উল্লেখ্য গতমাসের ২৯ তারিখে বিমান বন্দর সড়কে বাসের চাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হলে, সারাদেশের শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের এক পর্যায়ে মতলববাজরা অনুপ্রবেশ করে আন্দোলনকে ভিন্ন পথে পরিচালনা করার চেষ্টা করে। তাঁরা নানা ধরণের গুজব ছড়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। আন্দোলনের এক পর্যায়ে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কার্যালয়ে হামলা চালানোর হয়। মিথ্যা তথ্য ও ফেসবুক লাইভে এসে উস্কানী দেয়ার কারণে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে ফটোগ্রাফার শহীদুল আলমের বিরুদ্ধে মামলা করা হয় ও তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তিনি গোয়ান্দা পুলিশের কাছে রিমান্ডে রয়েছেন। ইতিমধ্যে তিনি দেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছেন স্বীকার করে ক্ষমাও চেয়েছেন।

Ads
Ads