বিএনপি নেতারা নিজেদের পাগলা কুকুর ভাবছে

  • ১১-Aug-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

বিএনপি নেতারা নিজেদের পাগলা কুকুর ভাবছে কিনা জানতে চেয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ।

শনিবার দুপুরে ধানমন্ডির রাসেল স্কয়ারে আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের আয়োজিত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এ প্রশ্ন রাখেন।

বিএনপির মহাসচিবের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় হানিফ বলেন, “বিএনপি কী নিজেদের পাগলা কুকুর ভাবছে? সেই কারণে ভয় পাবো। বিএনপি যদি নিজেদের পাগলা কুকুর ভাবে তাহলে আওয়ামী লীগ নয়, দেশবাসী আতঙ্কে থাকবে।”

“আওয়ামী লীগ আতঙ্কে ভুগছে। আওয়ামী লীগ কেন আতঙ্কে ভুগবে? আতঙ্কে কারা ভোগে, আমরা আগে দেখেছি গ্রাম পর্যায়ে, পাগলা কুকুর কামড়ালে জলাতঙ্ক হয়। এই জলাতঙ্ককে সবাই ভয় পায়। বিএনপি কী নিজেদের পাগলা কুকুর ভাবছে? সেই কারণে ভয় পাবে।”

আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির সংলাপের প্রসঙ্গে এই যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক বলেন, “ষড়যন্ত্র করে সরকার পতনের আন্দোলন করবেন। অশুভ কার্যকলাপ করবেন আর মুখে সংলাপের কথা বলবেন। আপনাদেরকে ষড়যন্ত্রের পথ পরিহার করতে হবে। তারপর সরকার ভেবে দেখবে আলোচনায় বসা যায় কী না। 

“ষড়যন্ত্র করে আলোচনায় বসার সুযোগ নেই। ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে আগস্ট মাসের সফলতা পেয়ে ছিলেন। সেই সফলতা দ্বিতীয় আর হবে না। আমরা বিএনপির মুখোশ উম্মোচন করে ছাড়বো। এরা পাকিস্তানের এজেন্ট, পাকিস্তানের দালাল।”  

“বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের অনেকের রায় কার্যকর করা হয়েছে। এখনো কিছু হত্যাকারীর বিচার হয়নি। এখনো যারা বিদেশে অবস্থান করে আছে তাদেরকে ফিরে আনিয়ে বিচারের রায় কার্য করার মধ্য দিয়ে বাঙ্গালী জাতিকে অভিশপ মুক্ত করার এক ধাপ এগিয়ে যাবে।”

হানিফ জানিয়ে বলেন, “১৯৭৩ সালে ১৫ আগস্টের বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের সময় নেপথ্যে মূল চক্রান্তকারী হিসেবে দায়িত্বপালন করেছেন তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হউক এবং বিচার করা হউক। এই বিচারের মাধ্যমে জাতির মধ্যে যে বিভক্তি সৃষ্টি হয়েছে, মরণোত্তর বিচারের মাধ্যমে জাতির মধ্যে যে বিভক্তি সৃষ্টি হয়েছে। সেই বিভক্তি দেওয়াল বিনষ্ট করার সম্ভব হবে।”

শিক্ষার্থীদের দাবিকে সরকার পতনে আন্দোলন করার জন্য বিএনপি জামায়াতের অশুভ শক্তি এবং ১/১১ কুশীলবরা হঠাৎ করে তৎপর হয়ে উঠেছে বলেও মন্তব্য করেন হানিফ।

তিনি বলেন, “কী কারণে আওয়ামী লীগ অফিসে হামলা করা হলো? কারা নেতৃত্ব দিয়ে পাঠিয়েছে হামলা করতে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে গুজব ছড়ানো হয়েছিল। আজ আমাদের হাতে সেই তথ্য এসেছে। প্রায় ৪-৫শত বিভিন্ন আইডির মাধ্যমে নানান ধরণে মিথ্যাচার করে ছাত্রদের উস্কীয়ে দেওয়া হয়েছিল।”

“আজকে অনেকে মায়া কাঁন্না কাদছে, ছাত্রলীগের নামধারীরা এই হামলা করেছে। কোথায় ছাত্রলীগ গিয়েছে হামলা করতে? আওয়ামী লীগের অফিসে হামলা থেকে বাধা দেওয়া নেতাকর্মীদের দায়িত্ব। হামলা বাধা দেওয়া কী হামলা হয়। হামলা করা করেছিল। বিএনপি-জামায়াত মিথ্যাচার করে শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির উপর ভর করে আবারও সহিংসতা করার চেষ্টা করেছে।”    

সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এডভোকেট মোল্লা মো. আবু কাওছারের সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পংকজ নাথ।

Ads
Ads