মালয়েশিয়ায় যে কারণে প্রবাসীদের গ্রেফতারে সাঁড়াশি অভিযান

  • ২-Sep-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা অনলাইন ::

মালয়েশিয়ায় বৈধ নথিপত্র ছাড়া অবস্থানরত বিদেশিদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। অভিযানের প্রথম দিন শনিবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশিসহ ৫ শতাধিক অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।

রোববার (২ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ খবর দেওয়া হয়েছে। আটক নথিহীন অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও মিয়ানমার, পাকিস্তান, কম্বোডিয়া, চীন, ভিয়েতনাম, ভারত ও নেপালের নাগরিক রয়েছেন।

এদিকে বিভিন্ন সূত্রে ৫ শতাধিক অবৈধ প্রবাসীকে গ্রেফতার করার তথ্য জানানো হলেও দেশটির অভিবাসন বিভাগ ৩৯৫ জনকে গ্রেফতারের বিষয়ে নিশ্চিত করেছে। এছাড়া গ্রেফতারদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি রয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।

বৈধ নথিপত্রহীন বিদেশি শ্রমিকদের স্বদেশে ফেরত যেতে বেঁধে দেওয়া আলটিমেটাম বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) শেষ হওয়ার পর এই সাঁড়াশি অভিযানে নামে অভিবাসন দফতর। তার আগে অবশ্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে অবৈধ শ্রমিকদের আট হাজার টাকা শোধ করে স্বদেশে ফেরত যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। 

কারণ হিসেবে জানা যায়, এজেন্টর নামে ভিসা করে বিভিন্ন জায়গায় কাজ করলেও অভিবাসন বিভাগ বলছে তাদেরকেও অবৈধ হিসেবে বিবেচিত করা হবে। এছাড়া অনেকের ভিসা থাকা সত্ত্বেও গ্রেফতার করা হয়েছে। ফলে প্রবাসীদের মনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগের প্রধান দাতুকে সেরি মুস্তফার আলী সাংবাদিকদের বলেন, সম্ভাব্য সব জায়গায় অভিযান পরিচালিত হবে এবং যতক্ষণ না পর্যন্ত তাদের (অবৈধ প্রবাসী) আইনের আওতায় আনতে পারছি ততক্ষণ অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধ শ্রমিক এবং মালিকদের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময় অবৈধ অভিবাসী ধরা পড়লেও এবারের অভিযান ভিন্ন। সর্বোচ্চ ৫০ হাজার রিঙ্গিতসহ জেল জরিমানার বিধান রয়েছে। এবার তিন বাহিনীর সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় অবৈধ অভিবাসী মুক্ত করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিদেশি নাগরিক দ্বারা পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। এছাড়া কাজের অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও কাজ করলে তাকেও অবৈধ হিসেবে গণ্য করা হবে। আর অবৈধ হিসেবে ধরা পড়লেই ব্ল্যাকলিস্টসহ জেল জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে।

এদিকে শুধু অবৈধ অভিবাসী সন্ধানেই নয়, এবার মালিকপক্ষকেও আইনের আওতায় আনা হবে এবং গ্রেফতারদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রকার আউট পাস সংগ্রহ করতে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন অভিবাসন বিভাগের প্রধান মুস্তফার আলী।

 

অনলাইন/কে 

Ads
Ads