শনিবার (৮ সেপ্টম্বর) রাতে হজ শেষে সৌদি আরব থেকে ফিরে সাদপন্থী তাবলিগের মুরব্বিরা কাকরাইল মসজিদে প্রবেশ করতে গেলে বাধার মুখে পড়েন। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাকরাইল মসজিদের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জানা গেছে, মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারী শুরা সদস্য সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন মুরব্বি ও সাথীরা হজে গিয়েছিলেন। শনিবার রাতে এশার নামাজের পর তার সাদের অনুসারী তাবলিগের মুরব্বিরা  কাকরাইল মসজিদে প্রবেশ করতে গেলে বাধার মুখে পড়েন। এসময় কাকরাইল মসজিদে  ভেতরে ছিলেন সাদবিরোধী পক্ষের মুরব্বি মাওলানা যোবায়ের। তার অনুসারীরা, সাদপন্থী তাবলিগের মুরব্বিদের মসজিদে না ঢুকতে দেওয়াই এক পর্যায়ে হাতাহাতি ও পাল্টাপাল্টিতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ প্রসঙ্গে মাওলানা আব্দুল্লাহ বলেন,  ‘রাতে মসজিদের ভেতর থেকে কিছু লোক এসে মুরব্বিদের ওপর হামলা চালায়। তাদের ভেতরে প্রবেশে বাধা দেয়। হজ শেষে তারা দেশে এসে এ পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন।’

তাবলীগ জামাতের মধ্যে এই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত কেন্দ্রীয় মারকাজ দিল্লির নিজামুদ্দিনে। বাদ যায়নি বাংলাদেশও। এরপর দৃশ্যতই দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে তাবলীগ জামাত।

এ বছরের শুরুতেই অনেকটা প্রকাশ্যে চলে আসে দ্বন্দ্বের বিষয়টি। বিশ্ব ইজতেমায় সাদ কান্ধলভী ঢাকায় আসলেও তাকে টঙ্গীতে ইজতেমায় যেতে দেওয়া হয়নি। বিরোধিতার মুখে কাকরাইলে তিনি ফিরে যেতে বাধ্য হন।

সরকারের তরফ থেকে কয়েক দফায় সমঝোতার চেষ্টায় দু'পক্ষের মাঝে সাময়িক কিছুটা বরফ গলে। তবে ভেতরে ভেতরে দ্বন্দ্ব যে, আরো প্রকট হতে থাকে। তা স্পষ্ট হয় চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল। সেদিন কাকরাইলে তাবলিগ জামাতের প্রধান কেন্দ্রে (মারকাজ) সংঘর্ষে জড়ায় সংগঠনটির দুটি পক্ষ। এরপর গতরাতে আবারও দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পরে দুই পক্ষ। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত করলেও উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে দুপক্ষের মধ্যেই।

" /> ভোরের পাতা

কাকরাইল মসজিদে ফের সংর্ঘষ, দাবী আদায়ের লক্ষে মাঠে নেমেছে মাওলানা সাদ অনুসারিরা

  • ৯-Sep-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

রাজধানীর কাকরাইল মসজিদে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষ ফের প্রকাশ্য দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে। 

আজ রবিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সার্কিট হাউস মসজিদে ৫-৬ হাজার মাওলানা সাদ অনুসারীরা তাদের দাবী আদায়ের লক্ষে একত্রিত হয়। পরে প্রশাসনের অনুরোধে তারা গুলিস্তান কেন্দ্রীয় মসজিদে অবস্থান নেওয়ার জন্য সার্কিট হাউস মসজিদ ত্যাগ করে এবং তারা জানান তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা ঘরে ফিরে জাবেন না।

শনিবার (৮ সেপ্টম্বর) রাতে হজ শেষে সৌদি আরব থেকে ফিরে সাদপন্থী তাবলিগের মুরব্বিরা কাকরাইল মসজিদে প্রবেশ করতে গেলে বাধার মুখে পড়েন। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাকরাইল মসজিদের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জানা গেছে, মাওলানা সাদ কান্ধলভীর অনুসারী শুরা সদস্য সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন মুরব্বি ও সাথীরা হজে গিয়েছিলেন। শনিবার রাতে এশার নামাজের পর তার সাদের অনুসারী তাবলিগের মুরব্বিরা  কাকরাইল মসজিদে প্রবেশ করতে গেলে বাধার মুখে পড়েন। এসময় কাকরাইল মসজিদে  ভেতরে ছিলেন সাদবিরোধী পক্ষের মুরব্বি মাওলানা যোবায়ের। তার অনুসারীরা, সাদপন্থী তাবলিগের মুরব্বিদের মসজিদে না ঢুকতে দেওয়াই এক পর্যায়ে হাতাহাতি ও পাল্টাপাল্টিতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ প্রসঙ্গে মাওলানা আব্দুল্লাহ বলেন,  ‘রাতে মসজিদের ভেতর থেকে কিছু লোক এসে মুরব্বিদের ওপর হামলা চালায়। তাদের ভেতরে প্রবেশে বাধা দেয়। হজ শেষে তারা দেশে এসে এ পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন।’

তাবলীগ জামাতের মধ্যে এই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত কেন্দ্রীয় মারকাজ দিল্লির নিজামুদ্দিনে। বাদ যায়নি বাংলাদেশও। এরপর দৃশ্যতই দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে তাবলীগ জামাত।

এ বছরের শুরুতেই অনেকটা প্রকাশ্যে চলে আসে দ্বন্দ্বের বিষয়টি। বিশ্ব ইজতেমায় সাদ কান্ধলভী ঢাকায় আসলেও তাকে টঙ্গীতে ইজতেমায় যেতে দেওয়া হয়নি। বিরোধিতার মুখে কাকরাইলে তিনি ফিরে যেতে বাধ্য হন।

সরকারের তরফ থেকে কয়েক দফায় সমঝোতার চেষ্টায় দু'পক্ষের মাঝে সাময়িক কিছুটা বরফ গলে। তবে ভেতরে ভেতরে দ্বন্দ্ব যে, আরো প্রকট হতে থাকে। তা স্পষ্ট হয় চলতি বছরের ২৮ এপ্রিল। সেদিন কাকরাইলে তাবলিগ জামাতের প্রধান কেন্দ্রে (মারকাজ) সংঘর্ষে জড়ায় সংগঠনটির দুটি পক্ষ। এরপর গতরাতে আবারও দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পরে দুই পক্ষ। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত করলেও উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে দুপক্ষের মধ্যেই।

Ads
Ads