মশার ওষুধ ইস্যুতে স্থানীয় সরকার সচিবকে আজই হাইকোর্টে তলব

  • ১-Aug-২০১৯ ০২:২৬ অপরাহ্ন
Ads

 

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

মশা মারতে বিদেশ থেকে যথাযথ ওষুধ আনার বিষয়ে জানতে বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) দুপুর ২টার মধ্যে স্থানীয় সরকার সচিবকে ডেকেছেন হাইকোর্ট।

বিদেশ থেকে ওষুধ আনার প্রক্রিয়া নিয়ে দুই সিটি করপোরেশ এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আইনজীবীদের দুই ধরনের বক্তব্যের পর বিচারপতি তারিক-উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ারদীর হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই সচিবকে হাইকোর্টে ২টার মধ্যে আসতে বলেন। আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান।

এর আগে শুনানিতে বিশেষ বিমানে করে মশা নিধনের নতুন ওষুধের নমুনা আজকের মধ্যে দেশে আসবে বলে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আইনজীবীরা আদালতকে জানান। একইসঙ্গে ওই নমুনা ওষুধের কার্যকারিতার বিষয়ে মহাখালীর একটি ল্যাবরেটরিতে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা চালানো হবে বলেও তারা আদালতকে অবহিত করেন। শুনানির একপর্যায়ে ডেঙ্গু মশা নিধনে বিদেশ থেকে কার্যকরী ওষুধ আনতে গড়িমসি করার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিবকে তলব করেন হাইকোর্ট।

এর আগে গত ২৫ জুলাই ওষুধের ডোজ বাড়িয়ে দিয়ে এডিস মশা নির্মূল ও ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। তবে ওই সময়ের মধ্যে ওষুধ ব্যবহার করে মশা নিধন হয়েছে কিনা, সে বিষয়েও প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছিলেন আদালত।

কিন্তু মশা নিধনে কার্যকরী ফল না পাওয়ায় গত ৩০ জুলাই এডিস মশা নিধনে কার্যকর ওষুধ কবে দেশে আসবে, তা সরকার এবং ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে আজ বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) দুপুর দুটার মধ্যে জানাতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। এরই ধারাবাহিকতায় ওষুধের বিষয়ে দুই সিটির আইনজীবীরা হাইকোর্টকে বিষয়টি অবহিত করেন।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১৪ জুলাই আদালত তার আদেশে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা জানাতে ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটির মেয়র, নির্বাহী কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য সচিব, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালককে জানাতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

একইসঙ্গে নাগরিকদের ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়াসহ এ ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়া বন্ধ করতে এবং এডিস মশা নির্মূলে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন আদালত।

পরে ওই বিষয়ে দুই সিটির পক্ষ থেকে গত ২২ জুলাই হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। কিন্তু সেই প্রতিবেদনে আদালত অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দুই সিটি করপোরেশনের প্রধান দুই স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে তলব করলে গত ২৫ জুলাই তারা সশরীরে হাজির হয়ে আদালতে ব্যাখ্যা দেন।

Ads
Ads