বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর গরিবের তালিকায় ছিলো এক নাম্বার: ওমর ফারুক

  • ৩১-Jul-২০১৯ ০৭:৩২ অপরাহ্ন
Ads

:: নিজস্ব প্রতিবেদক ::

মোহাম্মদ ওমর ফারুক সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনা সভায় বলেছেন, ‘ভোক্তা অধিকার বহুদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত চালু করেছে ১৯ বছর আগে। আমাদের দেশে চালু হয়েছে ২০০৯ সালে’। ‘আমরা ভোক্তা হিসেবে কতটুকু কাজ করছি? ক্রেতারা কোন পণ্য কিনে, পণ্যর পাশে লেভেলটি ভালোভাবে দেখেন’। ‘পণ্যটির মেয়াদ আছে কি-না, নাকি মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। পণ্যটির দাম কত.. আপনার কাছ থেকে বেশি নিচ্ছেন কিনা দোকানী’।

তিনি বলেন, ‘১৬ আনা কাউকে বদনাম করবেন তা কিন্তু ঠিক নয়, আমারও ভুল থাকতে পারে’। ‘সোনার বাংলা তখনই প্রতিষ্ঠিত করতে পারবো যখন আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সরণ করে তার নিয়মুসারীভাবে চলতে পারবো। তখনই দেখবেন বাংলাদেশ একটি সোনার বাংলাদেশ হিসেবে হবে’।

তিনি আরো বলেন, ‘সবকিছু সরকার করে দিবে না, নিজেকেও একটু ভাবতে হবে। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর বিশ্ব গরিবের তালিকায় ছিলো এক নাম্বার’। ‘বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই দেশকে বিশ্বের কাছে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে রূপান্তর করেছেন। এখন আর আমাদের কেউ গরীব দেশ বলতে পারবে না। আজ আমরা মাথা উচু করে কথা বলতে পারি বিশ্বের বুকে’। ‘আমাদের  যথেষ্ট পরিমান খাদ্য মদুদ আছে। খাদ্য বান্ধব সরকারের মাধ্যমে বর্তমানে ৫০ লাখ সাধারণ জনগণ দশ টাকা কেজিতে চাল পাচ্ছেন খাদ্য মন্ত্রনালয়ের একটি প্রকল্পের মাধ্যমে’।

মোহাম্মদ হোসাইন বলেন, ‘বিদ্যুৎ সেক্টর এটাও ভোক্তা অধিকারের আওতাধীন। অতীতে বিদ্যুৎ বিভাগের যে অবস্থা ছিলো তা থেকে সাধারণ জনগণ মুক্তি হয়েছে। অনেক গ্রাহক আমাদের জানাতো বিদ্যুৎ সংযোগ দিলে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়। আমরা সব সময়ই তা অশিকার করেছি’। ‘আমরা বলেছি কেউ যদি আপনাদের কাছে থেকে বিদ্যুৎ সংযোগের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত টাকা চায় আপনারা দিবেন না, আমাদের কাছে সরাসরি অভিযোগ করেন। অনেকে মেনেছে অনেকে মানে নাই এটা মূল সমস্যা হচ্ছে সময়’। ‘বর্তমানে কাউকে আমাদের অফিসে আসতে হয় না। যার যত অভিযোগ আছে আমাদের বিদ্যুৎ বিভাগের অনলাইনে গিয়ে অভিযোগ করতে পারে’। ‘আমরা জনগণের এই অভিযোগ প্রতি সপ্তাহে আমাদের  আমলে নিয়ে ঘটনা যাচাই করি। সত্যতা পাওয়া গেছে আইনের আওতায় আনা হয়ে অপরাধীদের’।

তিনি আরো বলেন- ‘খাদ্য,বিদ্যুৎসহ আরো অন্যান্য সকল ভোক্তা অধিকার ক্ষেত্রে যেন সঠিক মূল্যায়ণ পায় এটাই হচ্ছে বর্তমান সরকারের চেলেঞ্জ’।
অনুষ্ঠানে ভোক্তা অধিকারের অন্যান্য বক্তারা বলেন- যেখানে যাই সেখানে শুধু ভেজাল, কোন জায়গায়-ই এখন ভেজাল ছাড়া কোন খাদ্য নেই।মানুষ এখন ভেজালমুক্ত খাবার সাধারণ জনগণ পায়না।

বর্তমান সরকার ভোক্তা অধিকারের বিষয়ে জোর দেওয়ায় এখন অনেক অগ্রগতি হয়েছে। ভেজালমুক্ত খাবার ভোক্তাদের জন্য সরকার এবং বিভিন্ন বেসকারী সংস্থা কাজ করে যাচ্ছে। আগামীতে ভেজালমুক্ত খাবার তৈরি হবে যদি এইরকম ভেজালমুক্ত অভিযান অব্যহত থাকে ।  

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- খাদ্য মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ওমর ফারুক,পাওয়ার সেল এর মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন,কে.এম বেলায়েত হোসেন প্রমুখ।

Ads
Ads