এবার দুধ বিক্রিতে বাধা কাটল ফার্মফ্রেশ ও প্রাণের

  • ৩০-Jul-২০১৯ ০৫:১১ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর উপাদান থাকায় বিএসটিআইয়ের লাইসেন্সপ্রাপ্ত ফার্মফ্রেশ ও প্রাণ মিল্কের পাস্তুরিত দুধ উৎপাদন এবং বিপণন পাঁচ সপ্তাহের জন্য বন্ধ করে হাইকোর্টের আদেশ পাঁচ সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। ফলে এই দুই ব্র্যান্ডের দুধ দুধ উৎপাদন ও বিপণনে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে করা আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান এ আদেশ দেন।

এর আগে সোমবার (২৯ জুলাই) মিল্কভিটার পক্ষেও একই আদেশ দিয়েছিলেন চেম্বার আদালত।

রোববার (২৮ জুলাই) বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চএ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পাস্তুরিত দুধ উৎপাদন বিপণন পাঁচ সপ্তাহের জন্য বন্ধে আদেশ দেন।

লাইসেন্সধারী সব ব্র্যান্ডের পাস্তুরিত দুধে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিটারজেন্টসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদান আছে কিনা সে বিষয়ে চারটি প্রতিষ্ঠানের ল্যাবের পরীক্ষা প্রতিবেদন নিয়ে শুনানি শেষে রোববার এ আদেশ দেন আদালত।

হাইকোর্টে বিএসটিআইর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার সরকার এম আর হাসান। এ বিষয়ে রিট আবেদনকারীর পক্ষে ব্যারিস্টার অনীক আর হক, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষে ব্যারিস্টার মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম শুনানি করেন।

গত ১৪ জুলাই এক আদেশে বিএসটিআইয়ের লাইসেন্সধারী সব ব্র্যান্ডের পাস্তুরিত দুধে অ্যান্টিবায়োটিক ও ডিটারজেন্টসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদান আছে কিনা, তা এক সপ্তাহের মধ্যে পরীক্ষা করতে চারটি ল্যাবকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

চারটি ল্যাব হলো- ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরি, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়রিয়াল ডিজিজ রিসার্চ, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) ও সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণাগার।

এরপর চার সংস্থার প্রতিবেদন হাতে পায় বিএসটিআই। এগুলো আদালতে জমা দেয় সরকারি সংস্থাটি।

এছাড়া নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের তৈরি করা (বিসিএসআইআর ও পরমাণু শক্তি কমিশনের ল্যাবে পরীক্ষা করা) ১১ কোম্পানির দুধ পরীক্ষার প্রতিবেদনও আদালতে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে উপস্থাপন করা হয় ঢাবি অধ্যাপক আ ব ম ফারুকের প্রতিবেদনও।

Ads
Ads