রংপুরে এরশাদের জানাজা সম্পন্ন

  • ১৬-Jul-২০১৯ ০৩:৫০ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

রংপুরে জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের চতুর্থ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বাদ জোহর রংপুরে কেন্দ্রীয় ইদগাহ মাঠে এরশাদের জানাজার নামায পড়ানো হয়। এতে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেয়।

এদিকে জাতীয় পার্টির স্থানীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ এরশাদের মরদেহ ঢাকায় নিয়ে আসতে দিচ্ছেন না। তারা এরশাদের মরদেহ রংপুরেই দাফন করার দাবিতে এক হয়েছে। ইতোমধ্যে গতকাল সেখানে এরশাদের জন্য কবরও খোঁড়া হয়ে গেছে।

এর আগে সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে হেলিকপ্টারে করে রংপুর সেনানিবাসে পৌঁছায়। এরপর জানাজার জন্য সেখান থেকে মরদেহ রংপুরের ঈদগাহ মাঠে নেওয়া হয়।

জানাজা শেষে হেলিকপ্টারযোগে বিকেলে ঢাকায় আনার কথা রয়েছে এরশাদের মরদেহ। এরপর সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে।

এর আগে গতকাল সোমবার বাদ আসর সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের তৃতীয় জানাজা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা জানাজায় অংশ নেন।

তার আগে সকাল পৌনে ১১টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজার টানেলে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। রোববার (১৪ জুলাই) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হয় তার প্রথম জানাজা।

জাতীয় পার্টি সূত্র জানায়, এরশাদের মরদেহের সঙ্গে জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ছেলে রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ, জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, সাবেক মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, আজম খান, এটিইউ তাজ রহমান ও শফিকুল ইসলাম সেন্টু।

১০ দিন ধরে ঢাকার সিএমএইচ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা এরশাদ রোববার (১৪ জুলাই) সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে মারা যান।

Ads
Ads