‘ডক্টর অব হিউম্যানিটি’ উপাধিতে ভূষিত ড. কাজী এরতেজা হাসানকে ফুলেল অভিনন্দন

  • ১৬-Jun-২০১৯ ১০:২৮ অপরাহ্ন
Ads

:: নিজস্ব প্রতিবেদক ::

জাতিসংঘের সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব হিউম্যানিটি’ বা ‘মানবতার সেবক’ উপাধি পেলেন ভোরের পাতা সম্পাদক- প্রকাশক এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট কমিশনের চেয়ারপারসন ড. কাজী এরতেজা হাসান। পাশাপাশি জাতিসংঘের ‘বিশ্ব শান্তির দূত’ হিসেবেও ভূষিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় শিল্প-বাণিজ্য এবং ধর্মবিষয়ক উপ-কমিটির এই সদস্য।

গত ৯ জনু মালয়েশিয়ায় জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠন ইউনাইটেড নেশনস ইউনিভার্সিটি ফর গ্লোবাল পিস বা ইউনিভার্সিটি অব ইউনিভার্সেল গ্লোবাল পিস আয়োজিত ৫ম বিশ্বশান্তি সম্মেলনে ড. কাজী এরতেজা হাসানসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মোট ১৪ জনকে নানা বিষয়ে অবদান রাখার জন্য এসব উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হয়ে এফবিসিসিআই পরিচালক ড. কাজী এরতেজা হাসান জাপান ও সৌদি আরব সফর শেষে মালয়েশিয়াতে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের জন্য জাতিসংঘের এই অনন্য সাধারণ উপাধিতে ভূষিত হওয়ার জন্য। মালয়েশিয়া সফর শেষে ড. এরতেজা হাসান রোববার সকাল ১১ টায় হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এসময় তার সহধর্মিণী সায়মা হাসান ও একমাত্র সন্তান কাজী জার্জিস বিন এরতেজাকে বিমানবন্দরের ভিআইপি টার্মিনালে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান ভোরের পাতা গ্রুপ অব কোম্পানিজের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান  বাজার২৪ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. শফিকুর রহমান। এছাড়া সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসানও ড. এরতেজা হাসানকে শুভেচ্ছা জানান। 

ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মেহেদী হাসান বলেন, ভোরের পাতা সম্পাদক ও এফবিসিসিআই পরিচালক বাংলাদেশের জন্য অনন্য সম্মান বয়ে এনেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেখানে মাদার অব হিউম্যানিতে ভূষিত হয়েছেন, সেখানে তার একজন কর্মী হিসাবে কাজী এরতেজা হাসান ডক্টর অব হিউম্যানিটিতে ভূষিত হওয়ায় আমরা আনন্দিত। ভবিষ্যতে তিনি যেন মানবতার জন্য কাজ করে বাংলাদেশ ও আওয়ামী লীগের জন্য অবদান রাখতে পারেন, এই প্রত্যাশা করি। 

উল্লেখ্য, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ থেকে এবার শুধুমাত্র ড. কাজী এরতেজা হাসানকেই ‘ডক্টর অব হিউম্যানিটি’ উপাধি দেয়া হয়। এছাড়া ভারতের তামিল নাডু রাজ্যের সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি ড. এম চুচালিংগামকে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদানের জন্য ‘গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ইন হিউম্যান এক্সিলেন্স’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে সিঙ্গাপুরের শেখ আলাউদ্দিন বিন ইয়াকুব, মালয়েশিয়ার লাই চি চিহ, উনং সি উইন, পিয়ং সিক ইয়েন, লিঙ্গিসুরিয়ার এস ও মুয়িয়ানি, জুলি মায়া নাগেশ্বরী সুপ্রিয়া, দ্যাতো ড. মোহাম্মদ রাফি বিন ওরফে ড. মোহাম্মদ ফায়জাল, ড. সুপিয়া ভিরাস্বামী, তুয়ান হাজী জিয়াস আব্দুল করিম, ড. ইয়িক রেন থ্যাঙ ক্রিশ্চিয়ানা, ড. ওয়ং সং জুইন ডেভিস এবং দ্যাতো শ্রী ড. মারভিন ইয়িপ কেন ইয়ংকে দেয়া নানা উপাধি।

‘ডক্টর অব হিউম্যানিটি’ উপাধিতে ভূষিত ড. কাজী এরতেজা হাসান বলেন, ‘আমার এই অর্জন বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে মানবাধিকার লংঘনের শিকার হওয়া নির্যাতিত মানুষের প্রতিই উৎসর্গ করছি। এছাড়া নিজের গর্ভধারিনী মায়ের পর প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ মানেই যিনি, মাদার অব হিউম্যানিটিসহ হাজারো উপাধিতে ভূষিত জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কারণ তার মতো একজন ধর্মপ্রাণ নেত্রী যিনি একক নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন তার কাছ থেকেই অনুপ্রাণিত হয়ে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছি।’

প্রসঙ্গত, ভোরের পাতা গ্রুপ অব কোম্পানিজের চেয়ারপার‌সন, দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক, ইরান বাংলাদেশ চেম্বারের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ও বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ডেভেলেপমেন্ট কমিশনের চেয়ারপারসন ড. কাজী এরতেজা হাসান গত ১৬ বছর ধরে দেশের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

Ads
Ads