মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাচনে আ. লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩০, আটক ১১

  • ১২-Jun-২০১৯ ০৬:৪৮ অপরাহ্ন
Ads

:: মাদারীপুর প্রতিনিধি ::

মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে গাছবাড়ীয়া এলাকায় আওয়ামীলীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থদের মাঝে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০জন আহত হয়েছে, এসময় ঘরবাড়ী ভাংচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।  এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকায় ১১জন আটক করা হয়েছে।

স্থানীয় ও পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী হয়েছে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পদক কাজল কৃষ্ণ দে । অপর দিকে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন মাদারীপুর জেলা আইনজীবী সমিতি সভাপতি মো. ওবাইদুর রহমান কালু খান। এই দুপক্ষের পোষ্টার লাগানো ও এলাকার আতিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলা পেয়ারপুর ইউনিয়নের গাছবাড়িয়া এলাকায় এই দুগ্রুপের মাঝে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায় দুই গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে দুই পক্ষের ৩০ জন আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং ১১জনকে আটক করা হয়েছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রতিনিধি ও তার ছেলে আবেদুর রহমান খান বলেন, আমাদের সমর্থকরা আনারসের পোস্টার টাঙানোর সময় নৌকার সমর্থকরা অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে আমাদের নেতা কর্মীদের আহত করে। 

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের ডাক্তার ইমরানুর রহমান সনেট বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় এ পর্যন্ত ২৮ জনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আমরা আমাদের সাধ্যমত চিকিৎসা দিচ্ছি। 

মাদারীপুর সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পরিমল কুন্ডু বলেন, যারা নৌকা প্রতীকের কর্মী সমর্থকদের উপরে হামলা চালিয়েছে দলীয় ভাবে আমরা তাদের আইনের আওতায় আনার দাবী করছি। পাশাপাশি সদর উপজেলা নির্বাচনে দলের পক্ষে সকল নেতা কর্মীদের কাজ করার আহবান জানাই। 

এব্যাপারে মাদারীপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সমর্থকদের দুই গ্রুপের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে পরিস্ত্রিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন রয়েছে। এখন পর্যন্ত ১১ জন আটক করা হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কোন পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি।

Ads
Ads