টাঙ্গাইলে ভিজিএফ’র চাউল বিতরনে অনিয়মের অভিযোগ

  • ৩০-মে-২০১৯ ১১:০৫ অপরাহ্ন
Ads

:: আব্দুস সাত্তার, প্রতিনিধি টাঙ্গাইল ::

টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় করটিয়া ইউনিয়নে ভিজিএফ (হত দরিদ্র) এর চাউল বিতরনে অনিয়ম,স¦জনপ্রীতি ওপাইকারদের কাছে চাল বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইল সদর করটিয়া ইউনিয়নে চাল বিতরন কালে সরেজমিনে দেখা যায় জনপ্রতি ১৫ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও ১০ থেকে ১২ কেজি করে চাউল বিতরন করা হচ্ছে।এতে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।ইউপি সদস্যদের স্বজন প্রীতির কারনে প্রকৃত হতদরিদ্ররা চাউল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। 

ভাতকুড়া গ্রামের মুন্টু সূত্রধর এর স্ত্রী আলো রানী একই গ্রামের রিপন সূত্রধরের স্ত্রী মমতা সূত্রধর ও অনুসূত্রধর জানান,আমাদের কার্ডে ১৫ কেজি করে চাউল দেওয়ার কথা থাকলেও মানিক মেম্বার তাহা অমান্য করে ১২ কেজি করে চাউল দিচ্ছে। এবং এলাকার হতদরিদ্র্রদের কার্ড না দিয়ে ইউপি সদস্য মানিকের বাহামভূক্ত স্বচ্ছল লোকদের এবং একই ব্যাক্তিকে ৩ থেকে ৪টি করে কার্ড দিয়েছে। তারা চাউল তুলে গেটের বাহিরে পাইকারদের কাছে চাউল বিক্রি করে টাকা নিয়ে চলে যাচ্ছে। ঢেলি করটিয়ার মৃত হোসেন আলীর ছেলে ইসমাইল (৪৫) বলেন, এই চাউল সরকার হতদরিদ্রদের দিয়েছে। অথচ আমি একজন অসহায় দরিদ্র হয়েও মেম্বারদের স্বজন প্রীতির কারনে আমি কার্ড হতে বঞ্চিত হয়েছি। 

নামদার কুমুল্লীর বাবুল মিয়ার স্ত্রী আসমা জানান,আমি একেবারেই গরিব মানুষ সরকার গরিব মানুষের জন্য এই চাউল দিয়েছে,অথচ মেম্বারা তাদের আত্মীয় স্বজনদের একই নামে টা করে কার্ড দিয়ে চাউল উত্তোলন করাচ্ছে। 

চাউল কম দেয়া ও সজনপ্রীতির ব্যাপারে ইউপি সদস্য মানিক নিকট জানতে চাইলে তিনি নিজেকে কালে কন্ঠে সাংবাদিক বলে পরিচয় দেন।এবং সাংবাদিকদের সাথে খারাপ আচারন করেন।খোজ নিয়ে জানাযায় তিনি কালে কন্ঠের কোন সাংবাদিক নয়।  

এব্যাপারে করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন,১৫ কেজির জায়গায় ১৪ কেজি হতে পারে ।কিন্তু ১২ কেজি হতে পারে না। তারপরও বিষয়টি আমি দেখছি।

Ads
Ads