টানা অভিযানে দাম কমেছে সবজি-মুরগির

  • ১৭-মে-২০১৯ ০৬:২১ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

রমজানের শুরু থেকেই রাজধানীর বাজারগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে ভ্রাম্যমান আদালত। শুরুতে ব্যবসায়ীরা বিষয়টি মেনে না নিয়ে নানা কৌশলে দাম বাড়িয়ে চলেছিলেন। কিন্তুেএ সপ্তাহে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজি, মুরগিসহ বেশকিছূ পণ্যের দাম কমেছে। তবে গরুর মাংসের দামে কোনো ধরণের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি।

আজ শুক্রবার (১৭ মে) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল, সেগুণবাগিচা বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব ধরেণর সবজির দাম ১০ টাকা কমেছে। এর মধ্যে ঢেড়শ বিক্রি হচ্ছে শুধুমাত্র ১৫ থেকে ২০ টাকায়। পটল ২৫ থেকে ৩০ এর মধ্যে কেনা যাচ্ছে। দাম কমেছে পেয়াঁজের। কেজি প্রতি পাঁচ টাকা। ব্রয়লার ও লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে পাঁচ কমে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিলো ১৫৫ টাকা। আর লেয়ার মুরগি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা। যা আগে কদিন আগে ছিল ১৯০ টাকা।

আজ বাজারে বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। যা একদিন আগে ছিল ৫০ টাকা, কচুরলতি ৪০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা যা একদিন আগে ছিল ৬০ টাকা, কাঁকরোল ৫০ টাকা আগে বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকায়। একদিন আগে ৬০ টাকায় বিক্রি হওয়া ধুনদুল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। এছাড়া ঝিঙা, চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। যা একদিন আগে বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি পেঁপে ৫০ টাকা, শসা ৪০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা, টমেটো ৩০ টাকা, লেবু হালি মান ভেদে ২০ থেকে ৪০ টাকা। আর কাঁচা মরিচের পোয়া (২৫০ গ্রাম) বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা।

এদিকে সুপারশপগুলো ছাড়া আজকেও কোনো বাজারে নির্ধারিত দামে গরুর মাংস বিক্রি করতে দেখা যায়নি। যে বাজারে অভিযান সেখানে সাময়িকভাবে নির্ধারিত দামে বিক্রিু করা হয় ঠিকই কিন্তু অভিযান শেষ হলেই তা আর মানা হচ্ছে না। অভিযানের ভয়ে নির্ধারিত দামে মাংস বিক্রি হলেও অভিযান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেটি ২০ থেকে ৭৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
অথচ দেশি গরুর মাংস প্রতিকেজি ৫২৫ টাকা এবং বিদেশি বা বোল্ডার গরুর মাংস প্রতিকেজি ৫০০ টাকা ও মহিষের মাংস প্রতিকেজি ৪৮০ টাকায় বিক্রয়ের জন্য মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে খাসির মাংস প্রতিকেজি ৭৫০ টাকা এবং ভেড়ার মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা ধরে বিক্রির জন্য দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম রমজান থেকে ২৬ রমজান পর্যন্ত মাংসের এ দাম নির্ধারণ করা হয়।

সেগুনবাগিচা বাজারের ক্রেতা হাসান মুরাদ মাংসের দাম প্রসঙ্গে আলাপকালে জুমবাংলাকে বলেন, অভিযান চলাকালীন সময়ে বাজার করে বেশ আরাম। ওই সময় সব পণ্যের দাম ম্যাজিকের মতো কমে যায়। জিনিসটাও ভালো পায়। গত পরশু আমার স্ত্রী এ বাজার থেকে মাংস কিনেছিলেন। দাম নিয়েছিলো ৫২৫। মাংসটাও ভালো দিয়েছিলো। আজ ৫৫০ এর নীচে দিচ্ছে না।

রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে মনিটরিং সেল খুলেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশের যে কোন স্থানের মূল্য বৃদ্ধির তথ্য সেলকে জানাতে ৯৫৪৯১৩৩, ০১৭১২-১৬৮৯১৭, ৯৫১৫৩৪৪ ও ০১৯৮৭-৭৮৭২০৯ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বাজার নিয়ন্ত্রণে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাভুক্ত বাজারগুলোতে বসানো হবে ডিজিটাল মূল্য তালিকার বোর্ড।

Ads
Ads