শেখ হাসিনার নির্দেশ বাস্তবায়নে ছাত্রলীগে শুদ্ধি অভিযান চলবেই: নানক-রহমান

  • ১৭-মে-২০১৯ ০১:৩৬ অপরাহ্ন
Ads

উৎপল দাস

তারা দুজনই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সোনালী সময়ের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এখনকার মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নয়, মাঠে পরিশ্রম, ঘাম, ত্যাগ দিয়ে রাজনীতি করেই ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে এসেছিলেন। শুধু বঙ্গবন্ধু ও  শেখ হাসিনার আদর্শের প্রশ্নে আপোসহীন থাকার কারণেই এখনো আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন। কথা হচ্ছিল, জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং আব্দুর রহমানকে নিয়ে। তাদের নামের পাশে আর কোনো বিশেষণের প্রয়োজন হয় না। 

ছাত্রলীগের বর্তমান অবস্থা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার মূল  দায়িত্বপ্রাপ্ত এই দুই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর একটি রেস্তোরায় আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রী বিটের সেহেরি পার্টিতে ভোরের পাতার এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলেন। 

ভোরের পাতাকে জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং আব্দুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগ শুধু বাংলাদেশের নয়, উপমহাদেশেরই অন্যতম বৃহৎ ছাত্র সংগঠন। বাংলাদেশ বিনিমার্ণের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে রয়েছে ছাত্রলীগের গৌরবের ইতিহাস। প্রতিবার কমিটি হওয়ার পরই কিছু না কিছু বিতর্ক নিয়ে কথা উঠে। এবারও উঠেছিল। লাখ লাখ ছাত্রদের সংগঠনে পদ প্রত্যাশী সবাই। কিন্তু সবাইকে তো আর পদে বসানো সম্ভব নয়। এখন পর্যন্ত যাদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের কমিটিতে পদ পাওয়ার পর অভিযোগ এসেছে। তাদের বিরুদ্ধে বর্তমান কমিটির সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর মাধ্যমে অভিযোগ তদন্ত করিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার কথা আমাদের অভিভাবক শেখ হাসিনা জানিয়ে দিয়েছেন। 

নানক-রহমান আরো বলেন, আমরা দুজনই আপার নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করছি। এই ছাত্রলীগকে বিতর্কমুক্ত করতে শুদ্ধি অভিযান চলমান থাকবে। তবে কাউকে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে যদি বাদ দেয়া হয়, সেটিও তদন্ত করা হবে। শেখ হাসিনার ছাত্রলীগকে কলংকমুক্ত করতেই নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং আব্দুর রহমান বলেন, ছাত্রলীগ করেই আজ আমরা এখানে এসেছি। আমরা চাই ছাত্রলীগ থেকে আরো অনেক নানক, রহমান বেরিয়ে আসুক; যারা আদর্শিকভাবে শেখ হাসিনার জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত থাকবে। এমন একটি ছাত্রলীগ আপার সামনে উপস্থাপন করতেই কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে গণমাধ্যমে সত্য নিউজ তুলে ধরারও অনুরোধ করেন। 
 

Ads
Ads