শোভন-রাব্বানীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই

  • ১৬-মে-২০১৯ ০৪:৩৮ অপরাহ্ন
Ads

উৎপল দাস
একযুগেরও অধিক সময় ধরে রাজধানী শহরে সাংবাদিকতা করছি। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা না পাওয়ার এ পেশাটা আসলে রক্তে মিশে গেছে এবং গর্ব নিয়েই বলতে পারি, রিপোটং করা আমার নেশা ও পেশা। ছোটবেলায় যখন ক্রিকেট খেলতাম, ঠিক তখন নেশাই ছিল। বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের জন্মভূমি রায়পুরার সন্তান হিসাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী একটি নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হয়েছি। জীবনের প্রথম ভোটটাও নৌকায় দিয়েছিলাম। 
স্কুল শিক্ষক বাবা আর গৃহিণী মা অনেক কষ্ট করেই আমাদের চার ভাই বোনকে বড় করেছেন। আমি যখন অষ্টম শ্রেণীতে পড়ি তখনই পুরো নরসিংদী জেলা ও পাশের ভৈরব অঞ্চলের সেরা ক্রিকেট আম্পায়ারদের একজন হয়েছিলাম। আসলে আকরাম, নান্নু, বুলবুল, আশরাফুল ভাইদের খেলা দেখে বড় হয়েছি। টাইগার বাহিনী মাশরাফির নেতৃত্বে এখন যে অবস্থানে আছে, তখন কেমন ছিল তা আপনারা সবাই জানেন। বাংলাদেশের শেষ ৬ বলে যদি ৩৬ রান দরকার হতো, চিন্তা করতাম মোহাম্মদ রফিক ভাই বুঝি ৬ টা ছক্কা মারবেন। হেরে যেতাম তখন, কিন্তু আজকের বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম তামিম, সৌম্য, মুশফিক, রিয়াদ, সাকিব, মোস্তাফিজদের কাছে প্রত্যাশা অনেক বেশি। বিশ্বের সব ক্রিকেট দলকেই নাকানিচুবানি খাইয়ে হারাচ্ছে। যে রাতে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে হারিয়েছিল, বিশ্বাস করুন রাত ২ টায় রায়পুরার মতো এলাকায় মিছিল করেছিলাম। এরপর মোটামুটি ভালো ফলাফল করেই দেশের সেরা নটরডেম কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম। এরপর বাবার কাছ থেকে ভার্সিটি কোচিংয়ের টাকা এনে বান্ধবীকে ফোন কিনে দিয়েছিলাম, কিন্তু কোচিংয়ে ভর্তি হইনি। এটা ২০০৬ সালের ঘটনা। নটরডেম কলেজ থেকে আবারো মোটামুটি ভালো ফলাফল নিয়ে মাত্র ৪ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরম তুলেছিলাম। অবশেষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে পড়ার সুযোগ পেয়েছিলাম। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনাটা শেষ করা হয়নি, ব্যক্তিগত প্রেম, নেশা, সাংবাদিকতা, গান, কবিতা আরো কত কিছুর জন্য। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে যতদিন পড়াশুনা করেছি, খুব অল্প পড়াশুনা করে ভালো ফলাফল ধরে রেখেছিলাম। 

নিজেকে নিয়ে এত কথা বলে পাঠকের বিরক্তির কারণ হলেও অুনজ প্রতীম ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন তোলার বিষয়ে জানতে একটু ধৈর্য্য রাখুন।

আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে নটরডেম কলেজ লাইফের বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডাবাজি চলেছে। প্রচলিত একটা কথা আছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বারান্দায় যে মানুষ কয়েক বছর হেঁটেছে, সে জীবনে অনেক কিছু শিখেছে। আর আমি তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপচার্য আ আ ম স আরেফিস সিদ্দিকী স্যারের বাসভবনে গভীর রাতেও অনেক কিছু শিখতে গিয়েছি। স্যারও আন্তরিকভাবে জ্ঞান দিয়েছেন। সাংবাদিকতার নানা বিষয়ে তার কাছ থেকে শিখেছি। যদিও সব সময় মানা হয়ে উঠে না। 

এরপর আসি ঢাবিতে আমার বন্ধুদের কথায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৬-০৭ সেশনে ভর্তি পরীক্ষায় মাত্র ০.৫০ নম্বরের (দুটি প্রশ্নের ভুল উত্তর) জন্য উর্ত্তীণ হতে পারি নাই। বাংলায় সাড়ে ৭ নম্বর পেয়েছিলাম। তারপর জগন্নাথে দুই বছর ঠিকই পড়েছি, কিন্তু পাশাপাশি সাংবাদিকতা করতে গিয়ে রাতের পর রাত ঢাবির আবাসিক হলে অতিথি হিসাবে থেকেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক আপেল মাহমুদ সবুজ ছিল ক্যাম্পাসে আমার প্রিয় বন্ধুদের একজন। নটরডেম লাইফের বন্ধুদের মধ্যে এহসান হাবীব (ভর্তি পরীক্ষায় ২৯তম হয়ে ইংরেজি থেকে বাংলায় চলে যাওয়া এবং জাসদ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি), নোমান মাহফুজ জিলু (বর্তমানে আন্তজার্তিক সম্পর্ক বিভাগের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক), আজহার উদ্দিন (ঢাবি শিক্ষক) থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের আলোচিত সাংবাদিক বন্ধুবর আলী আসিফ শাওন (বর্তমানে আমাদের সময়ে কর্মরত এবং ঢাবিতে প্রথম আলোতে কাজ করা অবস্থায় প্রথম আলো পুড়িয়ে প্রতিবাদ করার সাহস দেখিয়েছেন) খুবই ঘনিষ্ঠ। এছাড়া আরো অনেকেই আছেন ছাত্রলীগের সবুজের মাধ্যমে পরিচিত যারা ছাত্রলীগের সম্পর্ক ছাপিয়ে বন্ধুত্বের অশিংদারিত্বে সারাজীবন টিকে থাকবে। তাদের মধ্যে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও বন্ধুবর এই এম আলামিন, মেহেদী হাসান রনি,  আল আমিন, মনির হোসেন, মোবাররক হোসেন, সায়েম খান, আদিত্য নন্দীসহ আরো অনেকেই। 

এক সময় আমি ছিলাম আপদমস্তক বিজনেস রিপোর্টার। বাংলাদেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের প্রতিষ্ঠান এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, ঢাকা চেম্বার, শিল্প মন্ত্রণালয় ঘুরে বেরিয়েছি। প্রথম জীবনে সততা নিষ্ঠা আর কাজের প্রতি প্রেম দিয়ে সাংবাদিকতা শিখেছিলাম। ২০০৬ সালের অর্থ কাগজের প্রণব মজুমদার দাদা, এরপর দৈনিক জনতার মশিউর রহমান রুবেল ভাই আমাকে যেভাবে হাতে কলমে সাংবাদিকতা বিশেষ করে রিপোটং শিখিয়েছেন, তা নিয়ে কাজ করেছি গত ১২ বছর ধরে। এ সময়ে যায়যায়দিন, ইত্তেফাক (ফিচার), মানবজমিন, পূর্বপশ্চিম হয়ে এখন ভোরের পাতায় কাজ করছি সিনিয়র প্রতিবেদক হিসাবে। 

ছাত্রলীগ নিয়ে আমার কোনো মাথা ব্যাথাই ছিল না। কারণ আমি ছিলাম বিজনেস রিপোর্টার। ছাত্রলীগের বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা হতো বলে মাঝে মাঝে শুনতাম সাইফুর রহামন সোহাগ এবং এস এম জাকির হোসেনের নাম। তারা দুইজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রথম সাংগঠনিক সম্পাদক আপেল মাহমুদ সবুজ এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এইচ এম আলামিনকে বঞ্চিত করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করেছিল। এরপরই বন্ধুদের বঞ্চিত হওয়ার বেদনায় নিজেকে সামিল করে ঘনটাপ্রবাহে ডুব দিয়েছিলাম। একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসাবে পূর্বপশ্চিমের সাবেক প্রধান সম্পাদক, বর্তমানে বাংলাদেশ প্রতিদিনে নির্বাহী সম্পাদক, আমার পরম শ্রদ্ধেয় গুরু পীর হাবিবুর রহমান ভাইয়ের নির্দেশে ছাত্রলীগ নিয়ে নিউজ করা শুরু করলাম। সেই থেকে শুরু। আমিই একমাত্র রিপোর্টার যে ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগের কোটি টাকার বাড়ির খবর প্রথম গণমাধ্যমে নিয়ে এসেছিলাম। এরপর অনেক প্রতিবেদন হয়েছে, ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশ নিয়ে। নানা বিষয়ে আমি নানা সময় নিউজ করেছি। কিন্তু ত্যাগীদের মূল্যায়ণ করতে পারেনি সোহাগ জাকির। বিদায় নেয়ার আগেও বলেছিলাম, আপেল মাহমুদ সবুজ এবং এইচ এম আলামিনকে সম্মানটুকু দেন। কিন্তু তারা দিতে পারেননি। এইচ এম আলামিন নাকি বিবাহিত ছিল, এই অভিযোগে এবং আপেল মাহমুদ সবুজ নাকি নেতাদের কাছে আসেন না এবং একটু আধটু মাদক নেন- এমন অভিযোগে সোহাগ জাকির পদ দেননি। 
এরপর ভোরের পাতায় যোগ দিয়ে লিখেছিলাম: ছাত্রলীগে ৬০ শতাংশ শিবির অনুপ্রবেশ করিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক জাকির! এমন খবরের পর ছাত্রলীগে  তোলপাড় শুরু হয় এবং তদন্ত করে নতুন কমিটিতে নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা নিজে উদ্যোগী হয়ে ছাত্রলীগের পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেন। গত বছরের ১১ এপ্রিল সম্মেলনের পর কথিত সিন্ডিকেটের বাইরে এসে নেত্রী নিজের পছন্দের শীর্ষ নেতা হিসাবে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং গোলাম রাব্বানীর হাতে দায়িত্ব তুলে দেন। কিন্তু তারাও নানা সাংগঠনিক কাজের মধ্যেও এক বছরে কমিটি করতে না পারার ব্যর্থতা নিয়ে যখন সাবেক দুই শীর্ষ নেতার অনিচ্ছার কারণে কমিটি দিতে পারছিলেন না। তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদন নিয়ে শোভন রাব্বানী নিজেদের করা কমিটিই প্রকাশ করে দেন। সেই কমিটিতে অনেক বিতর্কিত ঠাঁই পেয়েছেন- এমন অভিযোগ উঠে। সঙ্গে সঙ্গে মধুর ক্যান্টিন রক্তাক্ত হয়। ছাত্রলীগের ইতিহাসে কমিটি গঠনের পর অতি সম্প্রতিকালে রক্তারক্তির কোনো ঘটনা পরিলক্ষিত হয়নি। সেদিন রাতেই ভোরের পাতায় লিখেছিলাম, বিতর্কিতদের ছাত্রলীগ থেকে বাদ দেয়ার নির্দেশ দিবেন শেখ হাসিনা। যা গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রী শোভন রাব্বানীকে ডেকে বলে দিয়েছেন। সেই অনুযায়ী, তারা ব্যবস্থাও নিতে শুরু করেছে। 

এবার আসি মূল কথায়, গত ৪ দিন ধরে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে কোন কোন বিতর্কিতরা ঠাঁই পেয়েছেন তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে গণমাধ্যমে এসেছে। কিন্তু বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা ধরণের কথা বলা হচ্ছে। এগুলো কখনোই কাম্য নয়। যারা পদ পাননি তারা এতদিন শোভন রাব্বানীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন। কিন্তু বঞ্চিত হওয়ার পর নোংরাভাবে ব্যক্তি আক্রমণ করছেন। এটা কখনোই শেখ হাসিনার মনোনীত দুইজনকে নিয়ে কোনো ত্যাগী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর কাজ হতে পারে না। ছাত্রলীগে পদ পাওয়াটাই কি সব? তাহলে তো আপেল মাহমুদ সবুজ এবং এইচ এম আলামিনের পদ পাওয়ার কথা ছিল সবার আগে। অতিরিক্ত যোগ্যতা অনেক সময় শীর্ষ নেতাদের ঈর্ষার কারণ হয়। এটাও সত্যি। তবে বঞ্ছিতদের ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল আমাদের প্রিয় অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলে দেয়ার পরও যারা শোভনের বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিব্রত করেন, পুরোনো প্রেমিকার সাথে তোলা কয়েকটি ছবি ছেড়ে প্রশ্ন করেন-এটা কখনোই কাম্য নয়। একবার নিজের কথা ভাবুন তো, আপনি বিশ্ববিদ্যালয় পড়া অবস্থায় আজকের এই দিনে প্রেমিকাকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে যাননি, ছবি তুলেননি। কই আপনার ছবি তো কেউ ফাঁস করে না। কারণ আপনি ছাত্রলীগের সভাপতি নন। তাহলে হয়তো, আপনাদেরটাও ফাঁস হতো। তো নিজের কথা ভেবেই ব্যক্তিগত জীবনকে সামনে এনে কাউকে ফাঁসিয়ে দেয়ার মনোভাব ত্যাগ করলে আমরা সবাই ভালো থাকবো।
এদিকে, টেলিভিশন লাইভে এসে ছাত্রলীগে উপ সম্পাদক পদ পাওয়ার পরও ডাকসু'র ক্যাফেটিরিয়া বিষয়ক সম্পাদক বি এম লিপি আক্তার বলেছেন, গোলাম রাব্বানী একজন মাদক ব্যবসায়ী। আমার ভাবতে কষ্ট হয়, শ্রাবণী দিশার রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বিএম লিপি আক্তার কিভাবে পারলেন, পুরোনো বিষয়গুলো সামনে এনে রাব্বানীকে, মানে তার দলের সাধারণ সম্পাদকের চরিত্র হনন করতে? তাহলে গত ১ বছরে কেন তিনি এসব কথা বলেননি? তবে এটা বুঝাই যাচ্ছে, তাকে উপসম্পাদক পদ দেয়ায়, তার রাজনৈতিক যোগ্যতাকে মূল্যায়ণ না করা এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদ না পাওয়ার বেদনা থেকেই রাব্বানীর ব্যক্তিগত জীবন তিনি সবার সামনে আনার চেষ্টা করেছেন। এটাকে হীন চেষ্টা বলছি, কারণ বি এম লিপি আক্তারের মতো অনেক ছাত্রলীগের নেত্রীদের ব্যক্তিগত বিষয় আমি জানি। কিন্তু কখনোই সেগুলো কারো কাছে কোনো স্বার্থে আঘাত লাগলে ফাঁস করে দিবো এমনটা নিজেই ভাবতে পারি না। কারণ ছাত্রলীগে যারা নারী নেত্রী আছেন, তাদের সবাইকে আমি ছোট বোন হিসাবেই দেখি। 

পরিশেষে, নিজের কথা বলেই শেষ করতে চাই। আমি উৎপল দাস। আমার ব্যক্তিগত জীবনও রয়েছে। হয়তো অনেকেই জানেন, অনেকে জানেন না। কিন্তু আমার সাথে কারো ঝগড়া হলে বা স্বার্থে টান পড়লে ব্যক্তিগত স্ক্রিনশট ফাঁস করে দিবেন। এটা কখনোই কাম্য হতে পারে। এটাকে নোংরামি বলে।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন শুভাকাঙ্খী হিসাবে এই সংগঠনের সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করি। পাশাপাশি শেখ হাসিনার নির্দেশের পর বিতর্কিতদের বাদ দিতে শোভন রাব্বানীর ওপর চাপ তৈরি না করে, তাদের তথ্য প্রমাণ দিয়ে সহায়তা করুন। কথা দিচ্ছি-এই শোভন রাব্বানীর হাতেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পুরোনো ঐহিত্য ফিরে আসবে। এই প্রত্যাশায়। জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু, জয় শেখ হাসিনার ছাত্রলীগ। 

লেখক: সিনিয়র প্রতিবেদক, ভোরের পাতা এবং ছাত্রলীগের একজন শুভাকাঙ্খী। 
 

Ads
Ads