সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পরিবারের আকুতি

  • ৪-মে-২০১৯ ০৬:১৯ অপরাহ্ন
Ads

আমগোরে সংসার এহন কেমনে চলবো, সুদি ঋণ কিবায় সুদাবো

:: আব্দুস সাত্তার, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ::

আমাগোরে লাশটা আইন্যা দেন,আমগোরে সংসার এহন কেমনে চলবো,সুদি ঋণ কিবায় সুদাবো। বৃহস্পতিবার ২ মে সৌদি আরবে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত কালিহাতীর ঝগড়মান গ্রামের বাহাদুরের প্রতিবন্ধী স্ত্রী রাশেদা।

শুক্রবার তার বাড়িতে গিয়ে জানাযায়,অসহায়-দুঃস্থ প্রতিবন্ধি পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি বাহাদুর। প্রতিবন্ধী স্ত্রী, একমাত্র সন্তান প্রতিবন্ধী মেয়ে, বৃদ্ধ মা-বাবা অসুস্থ ও এক বাক-প্রতিবন্ধী বোন নিয়ে ছিলো বাহাদুরের সংসার। আরও তিন বোন বিবাহিতা।ভাগ্যের চাকা ধুরাতে এক দেড় মাস আগে সুদি ঋণ করে পারি জমায় সৌদি আরবে। কিন্তু বিধিবাম,হতে হলো লাশ।রইলনা তার পরিবারকে উপার্জন করে খাওয়ানোর মত কেউ। পথে বসা ছাড়া আর কোন উপায় নেই তাদের। 

সৌদি আরবে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১১ জনের  মধ্যে কালিহাতীর ২ জন রয়েছে। নিহতরা হলো উপজেলা সদরের ঝগড়মান গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের ছেলে বাহাদুর (৩৫), কস্তুুরিপাড়ার শামছুল হকের ছেলে মনির হোসেন (২০)। নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তাদের পরিবারে চলছে শোকের মাতম।

নিহত মনির হোসেনের মা মমতাজ বলেন,আমার পোলার লাশটা আইন্ন্যা দেন।

এক মাস আগে নিহত মনির হোসেনের বাবা ইরাক প্রবাসী শামছুল হকের বাম হাতের চারটি আঙ্গুল কাজ করার সময় মেশিনে কাটা পড়ে। বর্তমানে সে ইরাকে চিকিৎসাধীন আছেন।

কালিহাতী পৌরসভার মেয়র আলী আকবর জানান,বাহাদুরের পরিবারের বিষয়টি আমি জানতামনা। অতি দ্রুত পরিবারের সকলের জন্য প্রতিবন্ধী কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে।

Ads
Ads