ঘূর্ণিঝড় ‘ফনি’ মোকাবিলায় ছাত্রলীগ ১৯ জেলায় কাজ করছে : গোলাম রাব্বানী

  • ২-মে-২০১৯ ০৯:৩০ অপরাহ্ন
Ads

সিনিয়র প্রতিবেদক

সারাদেশ যখন ঘূর্ণিঝড় ‘ফনি’ মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে বিশেষভাবে দুর্যেোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। এ লক্ষ্যে সারাদেশে ১৯ টি জেলায় কাজ করার প্রস্তুতিও সেরে নিয়েছে ছাত্রলীগ। ভোরের পাতার সঙ্গে আলাপকালে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, ইতিমধ্যেই গতকাল (বুধবার)  দুর্যেোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ এনামুর রহমানের সঙ্গে দীর্ঘ ৩ ঘন্টা সময় নিয়ে বৈঠক করেছি। এসময় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামালও উপস্থিত ছিলেন। 

প্রতিমন্ত্রীর সহকারী ব্যাক্তিগত কর্মকর্তা (এপিএস) ডা. শামীম আহাম্মদকে সমন্বয়ক করে ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করা হয়েছে। যেসব জেলাগুলোতে ঘূর্ণিঝড় ‘ফনি’ আঘাত হানতে পারে সেগুলোর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে প্রতিনিধি টিম করা হয়েছে। তারা দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেষ্ট থাকবে বলে জানান এবং সমন্বয়ক ডা. শামীমের সঙ্গে পরামর্শ  করে কাজ করবেন।  এ বিষয়ে জানতে শামীম আহাম্মাদকে ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। 

দুর্যোগপ্রবণ জেলা, উপজেলা এবং অন্যান্য ইউনিটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সমন্বয়ক হিসেবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে সমন্বয় করে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সকল নেতাকর্মীদের নিয়ে আক্রান্তদের জন্য সর্বাত্মক কাজ করবেন। জরুরি প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করবেন।

উল্লখ্য, ফণী’ উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে শুক্রবার (৩ মে) বিকেল নাগাদ ভারতের ওড়িষা-পশ্চিমবঙ্গ হয়ে সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্তমান গতিপথ অনুযায়ী অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল বিশেষত খুলনা ও তৎসংলগ্ন এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে।

আবহাওয়া বিভাগ জানায়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার, যা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এদিকে ফণী এগিয়ে আসায় মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

Ads
Ads