ঘূর্ণিঝড় ফণী: শুক্রবার সকাল থেকে উপকূলের মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনা হবে

  • ২-মে-২০১৯ ০৮:০৬ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ আগামীকাল শুক্রবার (০৩ মে) সন্ধ্যায় বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে ধরে নিয়ে ওই দিন সকাল ১০টা থেকে উপকূলীয় জেলাগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মানুষদের আশ্রয় কেন্দ্রে আনা হবে।

সকালে শুরু করে সন্ধ্যার আগেই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে আনার কার্যক্রম শেষ করা হবে বলে বৃহস্পতিবার (০২ মে) সচিবালয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সভার শুরুতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব শাহ কামাল এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলেন, লোকজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনার পর সেখানে (ওইসব অঞ্চলে) পাহারা রাখতে হবে, শেল্টারগুলোও পাহারায় রাখতে হবে।

প্রথমে নারী, শিশু ও বয়স্কদের আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়ার নির্দেশনা দেন সচিব।

ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৯ উপকূলীয় জেলায় ৫৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নির্দেশনার সঙ্গে সঙ্গে তারা মানুষদের ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসবে।

উপকূলীয় ১৯ জেলায় তিন হাজার ৮৬৮টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে। বেশিরভাগ আশ্রয় কেন্দ্রই প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সভার শুরুতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ পুরো বাংলাদেশ ঘূর্ণিঝড়ের আওতায় থাকবে, এই সময়টা ক্রিটিক্যাল। উচ্চগতির বাতাস ও দমকা ঝড়ো হাওয়ার সময় সবাইকে নিরাপদে থাকতে হবে। ঘূর্ণিঝড়টি শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে সারা রাত বাংলাদেশ অতিক্রম করবে। বাংলাদেশ যখন অতিক্রম করবে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০-১২০ কিলোমিটার থাকতে পারে। এজন্য সব ধরনের প্রস্তুতি রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার আগে সবাইকে এ বিষয়ে জানাতে হবে, এজন্য বিদ্যুৎ এবং ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। কারণ ঘূর্ণিঝড় আঘাতের আগে তথ্য পেলে মানুষ নিজের মতো করে প্রস্তুতি নিতে পারবে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান ছাড়াও কয়েকজন সচিব এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধরা সভায় উপস্থিত রয়েছেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় তাদের প্রস্তুতির বিষয়গুলো সভায় জানান।

Ads
Ads