মৌলভীবাজার নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বর্ষবরণ

  • ১৫-Apr-২০১৯ ০৬:৩৯ অপরাহ্ন
Ads

:: এ.এস.কাঁকন মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি ::

নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে নববর্ষের নতুন ভোর থেকে নানা আযোজনে বাংলা নতুন বছর ১৪২৬ বাংলাকে বরণ করে নিয়েছে মৌলভীবাজারবাসী।

এ উপলক্ষে রবিবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখের নতুন ভোরে মৌলভীবাজার কেন্দীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে জেলা প্রশাসন এর আয়োজনে এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমি,বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ও জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক কর্মী সংসদ মৌলভীবাজার এর সহযোগিতায় অনুষ্টিত হয় বর্ষ বরণ অনুষ্টান।

সকাল সাড়ে ৬টায় বর্ষবরন মে সমবেত কন্ঠে ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো...’ এই আগমনী সংগীতে নববর্ষকে আবাহন করে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীবৃন্দ। এরপড় সকাল ৮টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অশুভ শক্তির বিনাশ আর শুভ শক্তির বিকাশে শহীদ মিনার প্রাঙ্গন থেকে একটি বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয় শহরে। নতুন জামাকাপড় পড়ে ,যেমন খুশি তেমন সাজে সজ্জ্বিত হয়ে ,ব্যানার ফেস্টুন হাতে নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেয় সব বয়সের হাজারো নারীপুরুষ-শিশুকিশোর, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের প্রতিছবি ফুটে উঠে এ শোভাযাত্রায়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়।

মঙ্গল শোভাযাত্রা  শেষে বর্ষবরন মে   সকাল ৯টায় আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।সভায় নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান মৌলভীবাজার তিন আসনের সংসদ সদস্য নেছার আহমদ,সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দা জোহরা আলাউদ্দিন, জেলা প্রশাসক মো: তোফায়েল ইসলাম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান ,জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ শাহজালাল, সিভিল সার্জন ডা: মোঃ শাহজাহান কবীর, স্থানীয় সরকার এর উপ-পরিচালক মোহাম্মদ রোকন উদ্দিন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মিছবাহুর রহমান ও যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সৈয়দ নওশের আলী খোকন,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আশরাফুর রহমান সহ বর্ষবরন উদযাপন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নতুনত্বের বার্তা নিয়ে প্রতি বছর বাঙালির জীবনে আসে পহেলা বৈশাখ। পহেলা বৈশাখ বাঙালি সংস্কৃতির একটি অন্যতম অবিচ্ছেদ্য অংশ। পুরাতন বছরের সব গ্লানি, ব্যর্থতা ও পাওয়া না পাওয়ার হিসেবকে পদদলিত করে নতুন দিনের আলোকিত সূর্যের প্রত্যাশায় বাঙালি জাতি নবজীবনের যাত্রা শুরু করে। নববর্ষকে ঘিরে পুরো শহর জুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করে। নতুন বছরকে বরণ করতে পৃথক ভাবে পৌরসভা, উদিচি শিল্পী গোষ্টী সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন দিনব্যাপী আবৃত্তি, নৃত্য ,নাটিকা ও সংগীতানুষ্টান পালন করে।ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব বয়সী নারী পুরুষ সকাল থেকেই বর্ষবরণ উৎসবে যোগ দেন, সম্প্রীতি ও সুন্দর আগামী দিনের প্রত্যাশায়।

Ads
Ads