‘সোজা কথা, মন্ত্রী হলেও উল্টো পথে আসা যাবে না ’

::ভোরের পাতা ডেস্ক::

‘মাফ করেন ভাই, যতই মন্ত্রী হোন উল্টো পথে আসবেন না, আমাদের সমস্যা হয়’ কথাগুলো বলছিলেন ট্রাফিক ইন্সপেক্টর তরিকুল আলম সুমন। উল্টো পথে মন্ত্রীর গাড়ি আসায় তাকে হাতজোড় করে এভাবেই অনুরোধ করেন তিনি। সুমন অনুরোধ করেন উল্টো পথে যেন তারা না আসেন।

উল্টো পথে গাড়ি আসা নিয়ে এ পর্যন্ত কম মন্ত্রী বা উচ্চপদস্থ লোককে ধরা হয়নি। তবুও মন্ত্রীর দোহাই দিয়ে উল্টো পথে আসা যেন কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না।

গতবছরের মতো এবছরও রমজানে গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ায় উল্টো পথে যাত্রা, সিএনজি ষ্টেশনে লাইন দিয়ে মূল রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা, অবৈধ পার্কিং এসব হয়েই যাচ্ছে।

এসব অভিযানে প্রায় প্রতিটা গাড়িতেই ৯০০ টাকা করে মামলা করা হয়। মামলা থেকে রেহাই পায়নি মন্ত্রী, এমপি সহ আরো অনেক সিনিয়ররা।

এদিকে, শেরাটনের পাশে মিন্টু রোডে একজন সিনিয়র মন্ত্রী উল্টো পথে এগিয়ে এলে তরিকুল আলম সামনে দাঁড়িয়ে হাতজোড় করেন সামনে আর না আসতে। যতই মন্ত্রী হোক না কেন উল্টো পথে আসা যাবে না। সোজা কথা! গত ৫ জুন তরিকুল তার ফেসবুকে এই ভিডিওগুলো শেয়ার করেছেন।

এসব অভিযানে সাধারণত একশ গাড়ির মধ্যে আশিটা গাড়ি সচিব-মন্ত্রী/পুলিশ ও সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, পাঁচজন পুলিশের নিম্নপদস্থ কর্মকর্তা/কর্মচারী, পাঁচজন সাংবাদিক/অ্যাম্বুলেন্স এবং বাকি দশজন মোটরবাইক ও সাধারণ প্রাইভেটকার বা সিএনজি চালকেরা।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here