সরকার ঘোষিত মাদক বিরোধী অভিযানে জনসমর্থন রয়েছে

::মোঃ নুরউদ্দিন রোকসার::

জঙ্গি, সন্ত্রাস আর মাদকের বিরুদ্ধে দেশবাসী বরাবরই সোচ্চার ছিলো। বর্তমান সরকারও এব্যাপারে জিরো ট্রলারেন্সনীতিতে কাজ েলখকরছে। দেশের যুবসমাজের বড় একটা অংশকে মস্তিষ্কবিকৃতি করে বিপদগামী করার মূলে এই মাদক প্রশ্নাতীতভাবে দায়ী।

পৃথিবীর অধিকাংশ দেশই এই ভংয়কর ব্যাধিতে আক্রান্ত। সর্বত্রই এর দমনকার্য চলমান… বাংলাদেশে মাদক বিরোধী অভিযান প্রক্রিয়া চালু থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে এব্যাপারে সরকার প্রধানের আন্তরিকতা ও নির্দেশনায় কঠোরভাবে মাদক দমন কার্যকরে আইন শৃংখলা সংস্থাগুলোর প্রশংসনীয় ভূমিকা জনমুখে আলোচনায় আসে।

সফল কিছু অভিযানে মাকদ সাম্রাজ্যের বেশকিছু উত্তোরাধিকার হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে দেশব্যাপী। এতে দেশবাসী তথা সমাজের শান্তিপ্রিয় মানুষ সরকারের এ যাত্রাকে স্বাগত জানিয়ে এবার নিজেদের মধ্যেই আত্মসচেতনতা বৃদ্ধি করে মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে সুযোগ সৃষ্টি হয়।

যদিও সাধু সন্ন্যাসী, সুশীল নামের কিছু সুযোগ সন্ধানী কর্তাবাবুরা মাদক বিরোধী অভিযানের বিরোধীতা করে আসছে মানবাধিকারের মুখোশ পরে।

এর আগেও দেশবাসী দেখেছে জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো ট্রলারেন্সনীতির কার্যকারিতা। বাংলাদেশ জঙ্গীবাদ দমননীতিতে বিশ্বস্বীকৃতি অর্জন করেছে। তখনো এর বিরোধীতা করেছে ঐ সুযোগ সন্ধানী কুচক্রী মহল। এবার মাদক নির্মূলে এদের বিরোধীতার উপর ভর করেই স্মাগলার গেং আড়ালে সরে যাচ্ছে। সরকারের বিরোধীতা করতে যেয়ে এই লেবাসধারী বিরোধী শক্তিগুলো দেশের শান্তি বিনষ্ট করার ব্যাপারে দেশবাসীকে সচেতন করা দরকার।

আবার রক্ষকের ভূমিকা ভক্ষক হয়ে প্রশ্নবিদ্ধ হলে, তখন এ ব্যাপারটাও বিশেষভাবে আলোচনায় থাকা দরকার। তাহলো- প্রশাসনের ন্যায়পরায়ণতা। কেননা, নারায়ণগঞ্জে ৭ হত্যার ঘটনায় এখনো জাতির মনে দাগ আঁকা রয়েছে। ঐ মামলায় সাজা প্রাপ্ত হয়ে প্রশাসনের ঊধ্বতন কর্মকর্তাও জেল খাটছে। এ পর্যায়েও সরকারের পক্ষথেকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেয়া হয়নি।

সুতারাং দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার ঘোষিত জঙ্গী, সন্ত্রাস, মাদকের মতো অপরাধ দমনে যদি স্বয়ং আইন শৃঙ্খলা প্রয়োগকারী সংস্থার কিছু সদস্য অভিযুক্ত হয়। তাহলে পুরো প্রশাসনিক কাঠামোতে এর প্রভাব পরে। এ বিষয়টি মাথায় রেখে প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ে সতর্কতার সাথে নিবিড় পর্যবেক্ষন চলছে।

সম্প্রতি টেকনাফে ক্রসফায়ারে নিহত একরামের কথাই বলি, এই একটি মাত্র ঘটনা সরকারের দেশব্যাপী মাদক দমন স্বার্থকতা ম্লান করে দিয়ে মাদক বিরোধী অভিযান বন্ধের পাঁয়তারা চলছে সাথে সাথে আসল অপরাধীদের কৌশলে আলোচনা থেকে ছিটকে পড়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছে বলে অনেকেরই ধারনা। একরাম হত্যার সুষ্ট তদন্ত চলছে। তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এব্যাপারে মন্তব্য করা অযোক্তিক। তবে এখানেও প্রশাসনিক পরিচয় ব্যবহার করে কোন স্বর্থান্বেষী কুচক্রী রয়েছে কিনা, সরকারের পক্ষথেকে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তবে সফল রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর দেশবাসীর আস্তা রয়েছে- কেউ তার নির্দেশনার অপব্যবহার করে বিশেষ স্বার্থে নিরপোরাধী কারো উপর জুলুম করলে তাকে শাস্তি ভোগ করতেই হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত মাদক বিরোধী অভিযানে জনসমর্থন রয়েছে। কেননা তিনিই জনস্বার্থে রাজনীতি করেন।

লেখক: সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগ

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here