মানুষ নাকি ভিন গ্রহের প্রাণী!

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

প্রাণের অস্তিত্ব কি শুধুমাত্র পৃথিবীতেই? বলা হয়ে থাকে, মহাবিশ্বে পৃথিবীর মতো একাধিক গ্রহ রয়েছে এবং সেসব গ্রহে প্রাণ না থাকার কোনো কারণ নেই। লাখ লাখ নক্ষত্রপুঞ্জে ছড়িয়ে থাকা এসব গ্রহের মধ্যে প্রাণ না থাকাটাই বরং অবাস্তব! কিন্তু লক্ষ-কোটি আলোকবর্ষ দূরের সেসব গ্রহে গিয়ে খবর নেওয়া আধুনিক বিজ্ঞানের পক্ষে এখনো অসম্ভব। এখন পর্যন্ত এইসবই শুনে আসছে সাইন্সফিকশন প্রেমিরা।

কিন্তু এবার ভিন্ন তথ্য দিল বিজ্ঞানীরা। পৃথিবী মানুষের আদি ‘বাড়ি’ নয়, তারা এসেছে বাইরের গ্রহ থেকে! এমনটাই দাবি করছেন গবেষক ড. এলিস সিলভার।

সম্প্রতি একটি বই নিয়ে শোরগোল নেট দুনিয়ায়। সে বইয়ের নাম ‘হিউম্যানস আর নট ফ্রম আর্থ’। বইটিতে বিবর্তনবাদ নিয়ে বিস্তর আলোচনা করেছেন সিলভার। তার দৃঢ় বিশ্বাস, এই গ্রহে মানুষ এসেছে বাইরের গ্রহ থেকে।

নিজের যুক্তির সপক্ষে লেখকের দাবি, সূর্যের প্রখর তাপে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পৃথিবীর পরিবেশে মানুষ বহু ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ে। এমন একজনও মানুষও নেই, যে একশো শতাংশ সুস্থ। এমনই নানা যুক্তিজাল বিস্তার করেছেন লেখক। বইটি নিয়ে চলছে জোর তর্ক-বিতর্ক। তবে সিলভার যা বলছেন, তা নতুন কিছু নয়। এর আগেও এমন দাবি শোনা গেছে।

পাশাপাশি বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, মহাজাগতিক ব্যাকটিরিয়াই পৃথিবীতে বয়ে এনেছে প্রাণের বীজ। ১৯৯৮ সালে টেক্সাস ও মরক্কোতে আবিষ্কৃত হয়েছিল দু’টি উল্কাখণ্ড। ৪.৫ বিলিয়ন বছর আগে ওই উল্কা দু’টি পৃথিবীতে আছড়ে পড়েছিল বলে দাবি বিজ্ঞানীদের। গবেষণায় নেমে বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছিলেন, ওই উল্কাখণ্ডতে রয়ে গিয়েছে জল ও বিভিন্ন জৈব যৌগ। সেই চিহ্ন থেকেই পৃথিবীর প্রাণ-রহস্য খুঁজছেন তাঁরা। সিলভারের দাবি, সেই গবেষণার কথাই নতুন করে মনে করিয়ে দিল।

সত্যিই কি মহাকাশের অন্য কোণ থেকে এসেছে মানুষ? অন্য এলিয়েনরা আমাদের পৌঁছে দিয়েছে এই গ্রহে? উত্তরটাই এখন তন্নতন্ন করে খুঁজে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। হয়ত কোনও দিন তেমনই প্রমাণ মিলে যাবে। সেদিন সিলভারের বইটির কথা আরও বেশি করে আলোচনায় উঠে আসবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here