ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত নিজেই দেখতে যাচ্ছেন নারায়ানগঞ্জের ‘ব্রাজিল বাড়ি’!

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে সরগরম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। আর এই ফেসবুকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নারায়ণগঞ্জের ‘ব্রাজিল বাড়ি’। ২০১০ সালে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলায় নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লার লালপুরে নিজেদের দোতলা বাড়িটি ব্রাজিলের পতাকার আদলে রঙ করেন বাড়ির মালিক জয়নাল আবেদীন টুটুল।

২০১৪ সালে বাড়িটির ভাঙার কাজ চলায় সেবারের বিশ্বকাপে বাড়ির রঙ পরিবর্তন করা যায়নি। তবে এবার নতুন ছয়তলা ভবনের পুরোটা জুড়েই সাজিয়েছেন ব্রাজিলের পতাকায়। এরই মধ্যে এই বাড়িটি ‘ব্রাজিল বাড়ি’ হিসেবে দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

ব্রাজিল বাড়ির মালিক জয়নাল আবেদীন টুটুল বলেন, এই বাড়ি নিয়ে চারদিকে আলোচনা হচ্ছে দেখে খুব ভালো লাগছে। ব্রাজিল বাড়ি দেখতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের ২২ জুন ফতুল্লায় আসার কথা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রিয় দলের পতাকার রঙে বাড়ি সাজানোর পর থেকেই এটি ব্রাজিল বাড়ি হিসেবে পরিচিত লাভ করেছে। এই বাড়ি নিয়ে এত আলোচনা হবে তা কখনো ভাবতে পারিনি। এমন কাজ করায় শুরুতে আমাকে অনেকে পাগল বলেছে। এখন তারাই আমাকে নানা ভাবে উৎসাহিত করছে।

এদিকে ব্রাজিলের খেলার সময় বাড়িতে বিভিন্ন ধরনের আয়োজনের ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন টুটুল। ব্রাজিল বাড়ি দেখতে প্রতিদিনই দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে। বাড়িতে নিরাপত্তার জন্য লাগানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা।

উল্লেখ্য, নারায়ানগঞ্জে লাল্পুরে একটা ৬ তালা বাড়ীর পুরোটাই রঙ করা ব্রাজিলের পতাকা দিয়ে। এই যেন ভাস্যমান একটা ছবি। ২০১০ সালে বারীটি ২য় তালা থাকলেও এবার করা হয়েছে ৬ তালা।

বাড়ীটির ৬ তালা পর্যন্তেই করা হয়েছে ব্রাজিলের রঙ। আর সেটা করেছেন বাড়ীটির মালিক টুটুল। লালপুর এলাকার বাসিন্দা জয়নাল আবেদিন টুটুল, ২০১০ সালের বিশ্বকাপের সময় প্রথম নিজের বাড়ি সাজিয়ে ছিলেন। সে সময় তার বাড়িটি ছিল দোতলা। নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ব্রাজিলের প্রতি টুটুলের ভালোবাসা একটুও কমাতে পারেনি। আগের বাড়ি ভেঙ্গে এখন ছয়তলা বানিয়েছেন বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে এই কর্মকর্তা।

ভেতরে আধুনিক সুবিধাসহ সিসি ক্যামেরার কড়া নিরাপত্তা বাড়ি জুড়ে। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসার নজির সৃষ্টি করতে নিজের ছয়তলা বাড়িটি ব্রাজিলের পতাকার রঙে রাঙিয়েছেন তিনি। যা এরইমধ্যে আলোড়ন তুলেছে দেশ থেকে বিদেশেও। শুধু বাড়িকে ব্রাজিলের পাতাকায় সাজানোই নয়, বাড়ির নামের প্লেটেও এই বাড়ির পরিচিতি এখন ‘ব্রাজিল বাড়ি’।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here