প্রথম দিনেই শেয়ার দর সর্বোচ্চ বেড়েছে বসুন্ধরা পেপারের

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু হয়েছে বসুন্ধরা পেপার মিলস লিমিটেডের (বিপিএমএল)। গতকাল সোমবার দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সকাল সাড়ে ১০টায় লেনদেন শুরু হয়। লেনদেনের প্রথম দিনে শীর্ষ অবস্থানে উঠে এসেছে বসুন্ধরা পেপার মিলস। প্রথম দিনে কম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়েছে ৬৩.৫০ শতাংশ।

লেনদেন শুরুর আগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে কম্পানি কর্তৃপক্ষ দ্বিপক্ষীয় সমঝোতায় সই করেছে। সোমবার সকাল সোয়া ১০টায় মতিঝিলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে ডিএসইর লিস্টিং বিভাগের প্রধান আব্দুল জলিল ও কম্পানির পক্ষে বসুন্ধরা গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) মোস্তাফিজুর রহমান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিএসইর ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মতিন পাটোয়ারি, প্রধান রেগুলেটরি কর্মকর্তা এ কে এম জিয়াউল হাসান খান, বসুন্ধরা পেপার মিলসের কম্পানি সচিব নাসিমুল হাই, বসুন্ধরা গ্রুপের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মির্জা মোজাহিদুল ইসলাম, জিএম আজিজুর রহমান, এজিএম এম মাজেদুল ইসলাম প্রমুখ। এ ছাড়া কম্পানির ইস্যু ম্যানেজার ও রেজিস্ট্রার টু দি ইস্যুর কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, বসুন্ধরা পেপারের শেয়ার উন্মুক্ত হয় ১৫৫ টাকায়। শেয়ারের দাম হ্রাস-বৃদ্ধির মাধ্যমে সর্বশেষ লেনদেন হয় ১৩০.৮০ টাকায়। কম্পানিটির অ্যাডজাস্টেড ওপেনিং প্রাইস ৮০ টাকা। সেই হিসাবে প্রাথমিক মার্কেট থেকে সেকেন্ডারি মার্কেটে শেয়ারের দাম বেড়েছে ৫০.৮ টাকা বা ৬৩.৫০ শতাংশ। লেনদেনের প্রথম দিনেই কম্পানিটির ৬৩ লাখ আট হাজার ৮৩৪টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৮৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আজ বসুন্ধরা পেপারের জন্য বিশেষ দিন। বসুন্ধরা পেপার মিলস অনেক দিন ধরেই আছে, কিন্তু এখন আমরা শেয়ারবাজারে এলাম। পেপার খাতের অন্যতম শীর্ষ কম্পানিটির দেশি-বিদেশি ক্রেতাদের জন্যও বিশেষ দিন। পাবলিকের কাছে কম্পানিটির শেয়ার দিতে পেরেছি।’

বিনিয়োগকারীর আস্থার বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এই কম্পানির শেয়ার বরাদ্দ পেতে ৮ গুণ বেশি সাবস্ক্রিপশন হয়। এটাই প্রমাণ করে বসুন্ধরা পেপারের শেয়ারে বিনিয়োগকারীর আস্থা বেশি। আমরা বিনিয়োগকারীর এই আস্থা ঠিক রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করব।’

কম্পানি সচিব নাসিমুল হাই বলেন, ‘আমাদের সোভাগ্য যে কম্পানির ২৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপনের বছরেই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে পেরেছি। বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতি শেয়ারহোল্ডারদের আস্থা ১৯৯৯ সালে মেঘনা সিমেন্ট তালিকাভুক্ত হওয়ার সময়ই দেখেছি। বসুন্ধরা পেপার তিনটি বড় ইউনিটের সমান। একটি ইউনিটই পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা রাখে। আশা করছি ভবিষ্যতে বিনিয়োগকারীরা লাভবান হবে, আমরা তাদের আস্থা ধরে রাখতে পারব। কম্পানি জাতিকেও কিছু দিতে পারবে। কর্মসংস্থান ও জাতীয় রাজস্বেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বসুন্ধরা পেপার মিলস।’

ট্রিপল এ ফাইন্যান্স ইনভেস্টমেন্ট চেয়ারম্যান খাজা আরিফ বলেন, ‘পুঁজিবাজারে এখন ভালো ইস্যুর প্রয়োজন। ভালো ভালো ইস্যু দরকার। বসুন্ধরা পেপার মিলস পুঁজিবাজারে একটি ভালো ইস্যু।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here