দেশে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র করবে সরকার

মসজিদ
মসজিদ

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

ইসলাম প্রচার ও প্রসারের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ২২ মার্চ ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। অতঃপর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে সারা দেশে ইসলামের মহান অদর্শকে বাস্তবায়নের জন্য নান ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিল। যার সুফল পাচ্ছে এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। বঙ্গবন্ধু সারা দেশের আনাচে-কানাচে মসজিদ-মাদ্রাসা গড়ে তুলে মুসলমানদের শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চার পথকে সুগম করে তুলতে চেয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও যতবার ক্ষমতায় এসছেন, ইসলামের প্রকৃত শিক্ষাটা যেন মানুষ পায় এবং ইসলামি সংস্কৃতি মানুষ যেন ভালোভাবে রপ্ত করতে পারে, চর্চা করতে পারে- সেদিকে লক্ষ্য রেখেই নানান পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়ন, সমমান ও শিক্ষকদের সুবিধা বৃদ্ধিসহ মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মান বৃদ্ধি ও সুযোগ সুবিধা প্রদান করেন।

সারা দেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি রাজস্ব খাতে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ‘ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্ট’ ফান্ড করে দেন। এবার প্রতিটি জেলায়-উপজেলায় সরকার ৫৬০টি মডেল মসজিদ তৈরি করে দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যেখানে সত্যিকারভাবে ইসলাম ধর্মের চর্চা হবে।

গত ৫ এপ্রিল গণভবন থেকে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে ৯টি স্থানে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণ কাজ উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের আগে জাতির উদ্দেশ্যে বেতারে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ভাষণের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘আমরা ইনসাফের ইসলামে বিশ্বাসী। আমাদের ইসলাম হযরত নবী করিম (সা:) এর ইসলাম। যে ইসলাম জগতবাসীকে শিক্ষা দিয়েছে- ন্যায় ও সুবিচারের মন্ত্র। আমরা সেটাই বিশ্বাস করি এবং আমাদের ধর্মের সেই মর্যাদাটা সমুন্নত থাকুক।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here