ছাত্রলীগের রনির পক্ষে দাঁড়ালেন এমপি তুহিন

::ভোরের পাতা ডেস্ক::
রনির পক্ষে অবস্থান নিয়ে সংরক্ষিত নারী আসন-৩৫ সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন ফেসবুকে পোস্টও করেছেন। পোস্টে তিনি রনির নানা কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
এমপি তুহিন তার ফেসবুক ভেরিফাইড পেইজে সর্বশেষ পোস্টে লিখেছেন, রনির সাথে আমার ব্যক্তিগত পরিচয় নেই, ফেসবুকের কল্যাণে ছাত্রলীগের সম্মেলনের আগে কথা হয়েছিল। আমি তাকে লিখেছিলাম তুমি ফর্ম কিনছো তো প্রার্থী হওয়ার জন্য। তার উত্তর আপা আমি এত বড় নেতা হতে চাই না, আমি চট্টগ্রামের ছেলে হিসেবে থাকতে চাই। জীবিত নেতাদের ও অনেকে সম্মান দেখাতে চায় না আর তার মরহুম মহিউদ্দিন চৌধুরীর প্রতি ভালবাসা দেখে আমি তার ভক্ত হয়ে গেছি, আসলে প্রকৃত কর্মী সে এটা আমি ভাল করে সেদিন বুঝেছি।
আমি তাকে বলেছি আমি নেত্রীর সাথে কথা বলি সে আমাকে বারণ করেছে আপা লাগবে না। আপনি দোয়া করবেন আমি যেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে চলতে পারি। আমি দেখেছি সে বঙ্গবন্ধুর জীবনী ফলো করে উনার মত ছাত্রদের অধিকারের কথা বলে। রনি টাকা কামানোর মেশিন না হয়ে প্রকৃত ছাত্র নেতার কাজ যেটা সেটাই করেছে অবশ্য বর্তমান যুগে তা বিরল। রনিকে যারা হিংসে করে তাদেরকে বলবো হিংসে না করে সৎ ছেলেটার পাশে থাকো তবে ভাল কাজের শরিক হবে।

রনি তোমার পাশে থাকবো কারণ তুমি বঙ্গবন্ধুকে বুকে ধারণ করো তা আমি একদিনে বুঝে গেছি। তুমি পারবে এ দেশ থেকে স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রতিহত করার শপথে অগ্রসৈনিক হতে। সত্যের জন্য দেশের জন্য বঙ্গবন্ধু ফাঁসি বরণ করে নিতে চেয়েছিল তুমি তো উনারই সৈনিক তাই শেষ হাসি তুমিই হাসবে।
উল্লেখ্য, সোমবার (৪মে) চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষকে মারধর ও ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজির ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নূরুল আজিম রনিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালত সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে উন্নয়ন ফির নামে অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা আদায়ের অজুহাত দেখিয়ে রনি এ অপকর্ম করেন। পরে অধ্যক্ষকে মারধরের ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়ে যায়। এ ঘটনার পর কলেজের অধ্যক্ষ মামলা করেন। মামলায় রনি ছাড়াও সুনির্দিষ্ট আরও ৭ জন এবং অজ্ঞাতনামা ২৫-৩০ জনকে আসামি করা হয়।
অবশেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here