চাঁদপুর-৫ আসনে নৌকাকে হারাতে তৎপর কাউয়ারা

::সিনিয়র প্রতিবেদক::

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ করে আগামী একাদশ জাতীয় নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীকে পরাজিত করতে অপতৎপরতা দেখাচ্ছেন চাঁদপুর ৫ আসনের (হাজীগঞ্জ-শাহারাস্তি) কয়েকজন কাউয়া নেতারা। তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলে বেড়াচ্ছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদককে ১০ কোটি টাকা দিয়ে নৌকার মনোনয়ন কিনে নির্বাচন করবেন। কয়েকজন মনোনয়ন প্রত্যাশী একযোগে মিলে যোগ্য ও ক্লিন ইমেজের প্রার্থীকে মাইনাস করার জন্য কুৎসা রটাতেও কুণ্ঠিত হচ্ছে না চক্রটি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা সর্বশেষ দলের বিশেষ বর্ধিত সভায় বলেছেন, দলের মধ্যে যারা নৌকার বিরোধিতা করবেন অথবা যারা দলের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কথা বলবেন তাদের মনোনয়ন দেয়া হবে না। কিন্তু চাঁদপুর-৫ আসনে একটি চক্র আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী সেজে দলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নব্য আওয়ামী লীগার চক্রটিকে হাজিগন্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হেলাল মিজি প্রশ্রয় দিচ্ছেন,যার অপর নাম ডলার হেলাল। এই ডলার হেলাল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলো। হঠাৎ টাকার জোরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়েছেন। তারপর থেকেই ধরাকে সরা জ্ঞান করে আওয়ামী লীগকে যথেচ্ছাই ব্যবহার করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এই অশুভ সিন্ডিকেটে আরো রয়েছেন, ইঞ্জিনিয়ার শফিকুর রহমান যিনি বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীর ভাগ্নি-জামাই।তাছাড়া জোট সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন হাওয়া ভবনের সাথে গভীর ভাবে সম্পৃক্ত থেকে তারেক জিয়া ও গিয়াস উদ্দিন মামুনের ব্যবসায়িক পার্টনার থেকে ফায়দা লুটেছেন,যা সবাই জানে। এখন মনোনয়নের জন্য অকাতরে টাকা ঢালছে, এলাকার লোকজনদেরকে বলছেন, দলের সেক্রেটারি ওবায়দুল কাদের সাহেব তার জন্য নমিনেশন এনে দেবেন, কনফার্ম ইত্যাদি ইত্যাদি।

তাছাড়া বিদ্যুত বিভাগের পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক ইন্জিনিয়ার মোহাম্মদ হোসেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় বহিস্কৃত নেতা অধ্যাপক ফজলুল হক সহ আরো কয়েকজন এলাকায় নৌকার বিপক্ষে কাজ করছেন। তাদের একটাই উদ্দেশ্য আগামী নির্বাচনে চাঁদপুর-৫ আসনে যাতে পাশ না করে।তাহলে ভবিষ্যতে তাদের রাস্তা পরিস্কার হয়ে যায়।

এরা সবসময় এভাবে দলের বিরুদ্ধে লোক দেখানো প্রোগ্রাম করে দলের ক্ষতি করছে, যদিও সাধারণ জনগণের কাছে তাদের নূন্যতম গ্রহণযোগ্যতা নাই।

তারা পরিকল্পিতভাবে চাঁদপুর -৫ আসনটি বিএনপিকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। কর্মীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করছেন এলাকার সাধারণ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here