আসছে বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ স্ক্রিনের স্মার্টফোন

:: প্রযুক্তি ডেস্ক ::

একবার একটু ভেবে দেখুন তো, আপনার ফোনের সামনে স্ক্রিন ছাড়া আর কিছুই যদি না থাকে, তবে কেমন হয়? মন্দ হয় না নিশ্চয়। এমন স্ক্রিনের মোবাইলের ধারণাটি যাদের ভালো লেগেছে, তাদের জন্য বলছি, আপনাদের কথা মাথায় রেখেই লেনোভো এমন একটি ফোন বাজারে আনতে চলেছে, যার সামনের দিকে স্ক্রিন ছাড়া আর কিছুই দৃশ্যমান নয়।

নতুন ফোনে না থাকবে বেজেল, না থাকবে ডিসপ্লে নচ, সামনের পুরোটা জুড়েই থাকবে ডিসপ্লে। এমনটাই দাবি করেছে লেনোভো। চীনের সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ওয়েবুতে এ ফোনটি সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করেছেন লেনোভোর ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) চেং চ্যাং।

সাধারণত স্মার্টফোনের স্ক্রিনগুলোতে কিছুটা জায়গা ফাঁকা রেখে ডিসপ্লে বসানো থাকে। এটিকে বলে বেজেল। ইদানীং স্মার্টফোন নির্মাতা এ বেজেল যতটা কম রাখা যায়, এই প্রতিযোগিতা করছে। তবে সবাইকে ছাপিয়ে যাচ্ছে চীনের প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান লেনোভো।

আগামী ৫ জুন জেড ফাইভ নামের একটি স্মার্টফোন আনছে লেনোভো, যার পুরোটা জুড়েই থাকবে স্ক্রিন। চীনের বেইজিংয়ের এক অনুষ্ঠানে বিশ্বের প্রথম ‘বেজেল লেস’ বা বেজেলহীন স্মার্টফোনের ঘোষণা দেবে প্রতিষ্ঠানটি।

যুক্তরাজ্যের দ্য সান অনলাইনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, অনেক দিন ধরেই এ ফোনটি নিয়ে গুঞ্জন ছিল। বিভিন্ন অনলাইনে এ ফোনটির ফিচার নিয়ে তথ্য প্রকাশিত হয়। সম্প্রতি লেনোভোর পক্ষ থেকে স্মার্টফোনটি বাজারে আনার কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।

লেনোভোর সিইও ইয়াং ইউয়ানকিং জেড ৫ স্মার্টফোনটি বাজারে আসার খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ফোনটিতে পেটেন্ট করা ১৮টি প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। এর বাইরে স্মার্টফোনটির পেছনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত ডুয়াল ক্যামেরা রয়েছে। এ ছাড়া স্মার্টফোনটিতে ভিভোর এক্স ২১ স্মার্টফোনটির মতো ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেনসর থাকতে পারে।

গুঞ্জন রয়েছে, ফোনটিতে ৪ টেরাবাইট স্টোরেজ থাকবে, অর্থাৎ একটি ফোনের মধ্যেই দুই হাজার এইচডি মুভি, দেড় লাখ গান, ১০ লাখ ছবি রাখা যাবে। এর কাঠামো হবে ধাতব, যার পেছনে গ্লাস প্যানেল ব্যবহৃত হবে।

কোয়ালকম ৮৪৫ প্রসেসরের ফোনটিতে ৯৫ শতাংশ স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও থাকবে। এর বাইরে ওয়্যারলেস চার্জিং থাকবে। এর ব্যাটারির চার্জ যদি শূন্যতে নেমে আসে, তারপরও আধঘণ্টা কথা বলা যাবে।

ভোরের পাতা/ই

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here